‘মদন দা বাংলার ক্রাশ’, সায়নী

নিজস্ব প্রতিবেদন : মাস খানেক ধরেই অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। আর এই বিতর্কের মাঝে একাধিক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সায়নীর পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়েছেন। আর সেই কৃতজ্ঞতাও রাখতে দেখা গেল অভিনেত্রী সায়নীকে।

শুক্রবার ভবানীপুরের একটি অরাজনৈতিক মঞ্চে একসাথে দেখা যায় অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ এবং তৃণমূল নেতা মদন মিত্রকে। আর দুজনকে এক মঞ্চে দেখার সাথে সাথে বঙ্গ রাজনীতিতে নানান জল্পনা শুরু হয়। এমনকি মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময় দু’জনকেই দুজনের স্বপক্ষে বক্তব্য রাখতে দেখা যায়।

সায়নীর পাশে থাকার বার্তা দিয়ে মদন মিত্র তার বক্তব্যে বলেন, “আমার এখানে আসার কথা পাঁচটায়। আমি এসেছি তিনটেয়। কারণ একটাই। এই মুহূর্তে বাংলার প্রতিবাদী কন্ঠ সায়নী ঘোষ। সায়নী তুমি এগিয়ে চলো। গোটা বাংলা, সরকার তোমার পাশে আছে।”

আর এরপর মঞ্চে যখন সায়নী ঘোষ বক্তব্য রাখতে ওঠেন তখন তিনি বলেন, “মদন দা যখন কথা বলতে এলেন। উনি অনেক বড় লিডার। আমাদের দাদা। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী। কিন্তু এখন মদন দা, সম্মান দিয়েই বলছি। মদন দা কিন্তু বাংলার ক্রাশও বটে।”

সায়নী ঘোষের কথায়, “এত সুন্দর আদান-প্রদান পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আর কোথাও হয় না। আমি কোথায় যাবো, কার সঙ্গে থাকবো, সেটা আমরাই ঠিক করবো।” এর পাশাপাশি তিনি জয় শ্রীরাম বিতর্কে সাধারণ মানুষকে তার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান।

পাশাপাশি তিনি পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের ক্ষমতা নিয়ে দাবি করেন, “এখানে মহিলাদের যে জায়গায় দেওয়া হয় তা অন্যত্র নেই। বাংলায় থাকি বলে নয়, কর্মক্ষেত্রেও তা বুঝতে পেরেছি। দেশের অন্যান্য জায়গা তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা নিরাপদ। রাত দুটোয় নিশ্চিন্তে বাড়ি ফেরা যায়।”