Digha Beach: সাংঘাতিক কড়াকড়ি, দীঘার বিচে আর বসা যাবে না! নিয়ম বদলে দিল প্রশাসন

Antara Nag

Published on:

The administration changed the rules of sitting at Digha Beach: বাঙালি আর ভ্রমণ হল একই মুদ্রার দুটি পিঠ। ভ্রমন প্রিয় বাঙ্গালীর কাছে দীঘা হল অল্প সময়ে এবং স্বল্প খরচে সময় কাটানোর আদর্শ জায়গা। এই সমুদ্র নগরীতে সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে। প্রশাসনের উদ্যোগে এই সমুদ্র সৈকতটি আগের থেকে আরও অনেক বেশি উন্নত এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পর্যটকদের জন্য। দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ বেআইনি দখলদারি রুখে দীঘাকে আরও বেশি সুন্দর করে তুলেছে। তবে এখানকার বিচগুলোতে (Digha Beach) চালু হয়েছে নয়া নিয়ম, আসুন জেনে নিই কি সেই নিয়ম।

সম্প্রতি বিভিন্ন জায়গাতেই হকারদের উচ্ছেদ করার একটি প্রয়াস নেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। ফুটপাত পরিষ্কার করার জন্য এবং অস্থায়ী দোকান তুলে দিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। এমন বহু জায়গা আছে যা বেআইনিভাবে দখল করা আছে, কিন্তু এখন সরকারের উদ্যোগে তা উচ্ছেদ করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। নিউ দীঘায় ইতিমধ্যে বহু অস্থায়ী দোকান, ঝুপড়ি তুলে দিয়েছে প্রশাসন। বিপুল পুলিশ বাহিনী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে বিচে (Digha Beach) আর কোনভাবেই অস্থায়ী দোকান করা যাবে না।

দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের এক আধিকারিককে এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, বিচ (Digha Beach) বরাবর সমস্ত হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। এমনকি যে সমস্ত হকাররা বেঞ্চ পেতে ডাব বিক্রি করতো তাদেরকেও তুলে ধরা হয়েছে সেখান থেকে। জেলা প্রশাসন ও দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিচে কোনভাবেই অস্থায়ী দোকান তৈরি করতে দেওয়া যাবে না। এর ফলে সমুদ্রের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। আসলে বর্তমানে সৈকত নগরীকে বেশ সুন্দর করে গড়ে তুলছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

আরও পড়ুন 👉 Vista Dome Coach: বদলে গেল হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি শতাব্দী এক্সপ্রেস, এবার পর্যটকরা পাবেন ঘুরতে যাওয়ার নতুন আনন্দ

সম্প্রতি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে দীঘাতে তৈরি হয়েছে একটি জগন্নাথ মন্দির। এটি দর্শকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হতে চলেছে। এতদিন পর্যন্ত দীঘাতে পর্যটকরা আসতো সমুদ্রের আকর্ষণে, এবার থেকে তীর্থযাত্রার উপলক্ষেও দীঘাতে ভিড় হবে এমনটাই আশা করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওল্ড দীঘা এবং নিউ দীঘা দুটোই সরকার সাজিয়ে তুলেছে অপূর্ব সুন্দরভাবে। কোনোভাবেই এই সৌন্দর্যকে নষ্ট করতে নারাজ প্রশাসন।

মন্দিরটির নির্মাণকার্য শেষ হওয়ার আগেই প্রশাসনের তরফ থেকে নিউ দীঘা এবং ওল্ড দীঘার বিচের (Digha Beach) সমস্ত অস্থায়ী দোকান, ঝুপড়ি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বহুদিন আগে থেকেই এই উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কিন্তু সেই কথা কেউ শোনেনি। অবশেষে প্রশাসনিক মাঠে নেমে এই ব্যবস্থার তত্ত্বাবধন করে।