জেলা পুলিশ ও জেলা সংবাদিক ময়দানে, লড়াই জয় ছিনিয়ে নেওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদন : সর্বক্ষণের অতন্দ্র প্রহরী। এক দলের হাতে থাকে সমাজের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব। আর এক দল তো সংবিধানের চতুর্থ স্তম্ভ। দুই দলই সব সময়ের অতন্দ্র প্রহরী। দায়িত্ব আর দায়িত্ব। তবে দায়বদ্ধতা আর চাপের কাছে নতিস্বীকার নয়। বরং আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করার জন্যই যেন বরাদ্দ হয়েছিলো শনিবার।

এবার স্পষ্ট করে বলা যাক। শনিবার সিউড়ির পুলিশ লাইন মাঠে একটি প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে মুখোমুখি হয় জেলা শাসক ও জেলা পুলিশ সুপার একাদশ ও সাংবাদিক একাদশ। জেলার তিন মহকুমার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন এদিন। নামেই অবশ্য প্রীতি ম্যাচ। আসলে ছিলো হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। সুচাগ্র মেদিনী কেউ কাউকে ছেড়ে দিতে রাজি ছিলেন না।

এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন পুলিশ সুপার একাদশের অধিনায়ক আরক্ষাধক্ষ শ্যাম সিং। ডিজের তাল মাঠ মাতাচ্ছেন অনির্বান। লড়াই ব্যাট বলের। আর ক্ষুরধার মস্তিস্কের। প্রথম দিকে অবশ্য একের পর এক উইকেট পরতে থাকে পুলিশ সুপার একাদশের। তখন বলে আগুন ছড়াচ্ছেন সাংবাদিক একাদশের বোলার রনদ্বীপ মিত্র। তবে ব্যাট হাতে প্রহ্লাদ আর হৃতিক মাঠে নামতেই ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরে পুলিশ সুপার একাদশ। ১৫ ওভারে ১৮৩ রান করেন তারা।

ব্যাট করতে নেমে একের পর এক উইকেট পরতে থাকে সাংবাদিক একাদশের। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতলেও সাংবাদিক একাদশের সব কটি উইকেট নিতে ব্যর্থ হন পুলিশ সুপার একাদশের বোলাররা। দুই দলকে সুদৃশ্য ট্রফি দেওয়া হয়। ম্যান অফদা ম্যাচ হন পুলিশ সুপার একাদশের প্রহ্লাদ দাস। তিন উইকেট নিজের ঝুলিয়ে নিয়ে সেরা বোলার হন সাংবাদিক একাদশের বাঁহাতি বোলার রনদ্বীপ মিত্র।