সাতসকালেই জওয়ানদের বুটের শব্দ অনুব্রত গড়ে

হিমাদ্রি মন্ডল : ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই বীরভূম সহ রাজ্যের ১২ জায়গায় ১২ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগে এই বাংলা এমন একাধিক নির্বাচন দেখেছে, তবে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন কারোর নজরে এসেছে বলে মনে আসছে না। যে কারণে নির্বাচন কমিশনের এমন পদক্ষেপ বেশ নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। আসলে পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকেই নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য স্বচ্ছ এবং শান্তিপূর্ণভাবে এবারের নির্বাচন সমাপ্ত করা।

শনিবার বীরভূম সহ রাজ্যের ১২ জায়গায় ১২ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার পর রবিবার থেকেই একাধিক জায়গায় রুট মার্চ এবং এলাকার ডোমিনেশনের কাজ শুরু করতে দেখা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। রবিবার সিউড়ী ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত সাহাপুরের বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ করে। আর সোমবার এই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দল পৌঁছে যায় সিউড়ী ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত পাথরচাপুরি গ্রামে।

সোমবার সাতসকালেই সেনা জওয়ানদের বুটের শব্দ অনুব্রত গড়ে। এদিন পাথরচাপড়ি গ্রামের বিভিন্ন এলাকা এই সেনা জওয়ানরা টহল দেয়। পাথরচাপুরি ছাড়াও খটঙ্গা, নগরী গ্রামের একাধিক এলাকায় রুট মার্চ করেন তারা। রুট মার্চ করার পাশাপাশি তারা এদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন। আর গ্রামে গঞ্জে এইভাবে সেনাবাহিনীদের দেখে এলাকার মানুষরাও বেশ উৎসাহিত। বহু মানুষ ভোটের আগে এইভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েনকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন :

বাংলার বিধানসভা নির্বাচন যে আর বেশি দেরি নেই তা জানান দিচ্ছে নির্বাচন কমিশনের একাধিক প্রস্তুতি। তবে কবে নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হবে তার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন বাংলার মানুষেরা। মনে করা হচ্ছে আগামী দিন কয়েকের মধ্যেই হয়তো এই নির্ঘণ্ট সামনে আসবে।