দুটি গোষ্ঠিতে বিভক্ত টিম ইন্ডিয়া! টিমের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

ভারতীয় ক্রিকেট দল রাজনীতির আখড়া হয়ে ওঠা আগেই দেখেছে ভারতীয়রা। আর সেই জায়গা থেকে টিম ইন্ডিয়াকে ঘুরে দাঁড় করিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলী। আর তারপর আবার সেই ভুত নাকি নতুন করে দলে ফিরে এসেছে। ২০১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পরাজয়ের পর এমনই তথ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে হাটে বাজারে। রিপোর্ট বলছে, দলে দেখা দিয়েছে ব্যাপক অন্তর্দ্বন্দ্ব। এক গোষ্ঠী শাসক শিবির অর্থাৎ বিরাটের এবং অন্য বিরোধী গোষ্ঠী রোহিতের।

Source

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমি ফাইনালে হারের পর ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপের দল নির্বাচন নিয়ে ভেবেছে নানান প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠেছে, লন্ডনে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও শিখর ধাওয়ানের পরিবর্তে অজিঙ্ক রাহানেকে কেন চাওয়া হলো না? প্রশ্ন উঠেছে চাট নাম্বারে কেন আম্বাতি রাইডুকে সুযোগ দেওয়া হলো না? তার জায়গায় সুযোগ পায় বিজয় শংকর এবং ঋষব পন্থ।

সেমি ফাইনালে হারের পর ই প্রকাশে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ভারতীয় দলের অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়কের মধ্যে বনিবনা নেই। শুধু তাই নয় রোহিতের গোষ্ঠীর অনেকেই মনে করছেন কোচ এবং অধিনায়ক নিজের মর্জি মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এমনকি কানাভুষো এও শোনা যাচ্ছে যে, বিরাট কোহলির কাছের লোকেরাই জলে বেশি সুযোগ পায়। এমনকি তারা ব্যর্থ হলেও বাদ পড়েন না। শোনা যাচ্ছে, অধিনায়ককে তেল দিয়ে নাকি চলতে হয় দলে থাকতে। রোহিত শর্মা এবং জসপ্রীত বুমরার ভালো পারফরমেন্সের জন্য দল থেকে ছিটকে যাননি বলেও মত। স্বাভাবিকভাবেই অধিনায়ক এবং কোচের বিরাগভাজন হয়ে যাচ্ছেন রোহিত গোষ্ঠী।

Source

সূত্রের খবর, ভারতীয় দলের কোচ এবং বোলিং কোচ ভরত অরুনকে নিয়ে অনেকেই না খুশ। অনিল কুম্বলের পর ২০১৭ সালে ভারতের কোচ হয়েছিলেন রবি শাস্ত্রী। বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে যে, দলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, কোচ এবং অধিনায়কের বিরুদ্ধে কেউ টুঁ শব্দ করতে পারছে না। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেই স্থান খোয়াবার ভয় রয়েছে। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট নিয়োজিত প্রশাসক কমিটির সাপোর্টও পাচ্ছে বিরাট কোহলি। যার কারণেই কোচ এবং অধিনায়কের মর্জি মতো চলছে বলে সূত্রের খবর। ঠিক আগের ভারতীয় দলের মতই অধিনায়ক এবং কোচের প্রিয় পাত্র না হলে দলে ঠাঁই মেলা ভার। আর সেটাই পছন্দ নয় দলের সহ অধিনায়ক রোহিত শর্মার।