Darjeeling Tour: বর্ষা শেষে দার্জিলিং ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ বেড়ে যাবে কয়েকগুণ! দুর্দান্ত উদ্যোগ নিচ্ছে প্রশাসন

Prosun Kanti Das

Published on:

With this initiative of the administration, the pleasure of Darjeeling Tour will increase several times after monsoon: ভ্রমণের সঙ্গে বাঙালির নাম গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ভ্রমণ ছাড়া বাঙালি জাতির কোনোভাবেই বেঁচে থাকতে পারবে না। যখনই জীবনে নেমে আসবে একঘেয়েমি ভাব তখনই তারা বেরিয়ে পড়বে অজানা কোন জায়গার উদ্দেশ্যে। তবে এই বর্ষাকালে পর্যটকদের ভিড় পাহাড় অঞ্চলে কমই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু বর্ষা শেষে পর্যটকদের আর কোনোভাবেই আটকে রাখা যাবে না। আর দার্জিলিং এর সঙ্গে মানুষের একটা আলাদাই ইমোশন জড়িয়ে রয়েছে। তাই বর্ষা শেষে দেরি না করে বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবারের সঙ্গে বেরিয়ে পড়তে হবে দার্জিলিং ভ্রমণের উদ্দেশ্যে। কিন্তু এইবার দার্জিলিঙে (Darjeeling Tour) বেড়াতে গেলে নতুন কিছু জিনিস অপেক্ষা করছে পর্যটকদের জন্য।

দার্জিলিং (Darjeeling Tour) মানেই হলো টয় ট্রেন এবং সেই পরিস্থিতিতে এবার দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়েকে আরও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে কার্শিয়াং এ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে সম্প্রতি এবং তাতে উপস্থিত ছিলেন রেল বোর্ডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অসীমা মেহরোত্রা। দার্জিলিং ঘুরতে গেলে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ থাকে টয়ট্রেন এবং তাকে আরো যদি আকর্ষণীয় করে তোলা যায় তাহলে তো আর কথাই নেই। বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যা আজকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো।

কার্শিয়াং এ যে বৈঠকটি হয়েছিল তার অন্যতম আলোচ্য বিষয় হলো কার্শিয়াংয়ের বন্ধ থাকা রেলের ছাপাখানা পুনরায় কিভাবে ব্যবহার করা যায় সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা। পাশাপাশি টয় ট্রেনের রেললাইনের পাশের বিভিন্ন জায়গা বর্তমানে জবরদখল হয়ে গেছে, যা পুনরায় উদ্ধার করে টয়ট্রেনকে আরো নয়া রূপে সাজিয়ে তুলতে হবে। জবরদখল উচ্ছেদের ব্যাপারে কথাবার্তা মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু উচ্ছেদ করার আগে তাদের বিকল্প ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

আরও পড়ুন 👉 Lower Cost Abroad Travel: দার্জিলিং, সিকিমের থেকেও কম খরচে বিদেশ ভ্রমণ! টুক করে ঘুরেও আসা যায় এই দেশ

এছাড়াও বাড়তি উদ্যোগ হিসেবে শিলিগুড়ি জংশন, সুকনা, ঘুম, দার্জিলিং স্টেশনে ডিজিটাল কিয়স্ক করা হবে। প্রস্তাবদের কাছে এই পর্যটন কেন্দ্রটি আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য থাকছে বাতাসিয়া লুপে সেলফি জোন, সুকনা, ঘুম ও দার্জিলিংয়ের মিউজিয়ামকে আরো বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং আধুনিকরূপে তুলে ধরতে হবে পর্যটকদের কাছে। টয়ট্রেনের পরিষেবা যেন আগের থেকে আরও অনেক বেশি আধুনিক হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা এই কারণেই রেলের এই উদ্যোগকে সত্যি প্রশংসা করছে।

পশ্চিম বাংলার এই পর্যটন কেন্দ্রটি বাঙালি তথা অন্যান্য জাতির কাছে খুবই প্রিয়। পাশাপাশি সেখানে যদি আরও বেশি আকর্ষণীয় জিনিসের সম্ভার বাড়ে তাতে লাভ হবে পর্যটন শিল্পের। অর্থনৈতিক দিক থেকেও আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে এই জায়গাটি। সমস্ত কথা চিন্তা করে রেলের এই উদ্যোগকে প্রশংসা না করে পারা যাচ্ছে না।