Mid Day Meal: মিড ডে মিলে ডিম, মাছ অতীত! এবার ভাতে মিলছে শুধু এক চিমটে হলুদ, দেখলে চোখে জল আসবে আপনারও

Shyamali Das

Updated on:

নিজস্ব প্রতিবেদন : দেশের প্রত্যেক পড়ুয়ার পুষ্টির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে চালু করা হয়েছে মিড ডে মিল (Mid Day Meal) ব্যবস্থা। এর সঙ্গে আবার এখন যোগ হয়েছে পিএম পোষণ (PM Poshan)। কিন্তু দেশের বিভিন্ন জায়গায় কখনো কখনো মিড ডে মিল নিয়ে এমন এমন ঘটনা সামনে আসছে যেগুলি সকলকে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো।

মিড ডে মিল ব্যবস্থায় কখনো কখনো লক্ষ্য করা গিয়েছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং রাঁধুনি অথবা কর্মচারীদের অবহেলার কারণে রান্নায় পাওয়া গিয়েছে সাপ, ব্যাঙ। আবার কখনো কখনো শিক্ষক শিক্ষিকাদের একান্ত প্রচেষ্টায় পড়ুয়ারা মিড ডে মিলের পাতে পেয়েছেন আইসক্রিম থেকে শুরু করে চিকেন, ইলিশ অথবা এই ধরনের সুস্বাদু বিভিন্ন পদ। কিন্তু এবার যে ঘটনা সামনে এলো তাতে চোখে জল আসবে আপনারও।

মিড ডে মিল প্রকল্পের মধ্য দিয়ে পড়ুয়াদের স্কুলে টানা থেকে শুরু করে পড়ুয়াদের পুষ্টি যোগানের জন্য সপ্তাহে অন্ততপক্ষে একদিন ডিম, মাছ, মাঝে মাঝে হলেও মাংস দেওয়ার কথা। কিন্তু এসব সত্বেও মিড ডে মিল প্রকল্প নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তুলতে দেখা যায়। বিভিন্ন সময় খুদেদের পেটের খাবার নিয়ে মুনাফা লড়তে দেখা যায় বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষদের। আর এবার এসবের মধ্যেই মিড ডে মিল কেবল ভাত আর এক চিমটে হলুদ দিয়ে চালানোর অভিযোগ উঠল।

আরও পড়ুন 👉 FM at Suri: সিউড়িতে প্রথম, চালু হলো FM রেডিও! শোনা যাবে বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকেই

কেবলমাত্র ভাত এবং এক চিমটে হলুদ দিয়ে পড়ুয়াদের মিড ডে মিল দেওয়ার এমন ঘটনা ঘটেছে ছত্তিশগড়ের একটি স্কুলে। যেখানে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে শাক-সবজি থেকে শুরু করে সপ্তাহে এক দিন ডিম, মাছ এবং মাঝে মাঝে মাংস দেওয়ার কথা সেই জায়গায় ওই স্কুলের পড়ুয়ারা কতদিন যে সবজির মুখ দেখেননি তা তারা বলতে পারছেন না। ওই স্কুলের মিড ডে মিলে কখনো কখনো খিচুড়ি মেলে, তাও আবার যদি ডাল পাওয়া যায় তাহলে।

ছত্তিশগড়ের বিজাকুড়া গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় এমন ঘটনা ঘটেছে। ওই স্কুলে মোট ৪৩ জন পড়ুয়া রয়েছে। ওই স্কুলের শিক্ষক এবং আধিকারিকরা এমন ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তাদের তরফ থেকে স্বীকার করে জানানো হয়েছে, সাত দিন ধরে তারা পড়ুয়াদের পাতে কোনরকম সবজি দেননি এবং বদলে কেবলমাত্র ভাত আর এক চিমটে হলুদ দিয়েছেন। তবে এমন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ সাপ্লায়ারের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন। আবার সাপ্লায়ার জানিয়েছেন, বকেয়া টাকা না দেওয়ার কারণেই শাকসবজি সাপ্লাই দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে দুই পক্ষ যখন একে অপরের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলছেন সেই সময় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ পড়ুয়ারা।