Facial Recognition Camera: মুখ দেখে চিনে নেবে চোর-ছ্যাঁচড়! চুরি-চামারি ঠেকাতে অত্যাধুনিক ক্যামেরা নিয়ে হাজির রেল

Prosun Kanti Das

Published on:

Railway authorities are going to install modern Facial Recognition Camera to prevent theft: যাত্রী সুরক্ষার জন্য রেল বরাবর বিভিন্ন রকম প্রকল্প সামনে এনেছে। এইবার যাত্রী নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এক অভিনব প্রচেষ্টা করল ভারতীয় রেল। খুব সহজেই যাতে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করা যায় এবার সেই ব্যবস্থা করল রেল কর্তৃপক্ষ। ফেসিয়াল রেকগনিশন সিসি ক্যামেরা (Facial Recognition Camera) বসানো হচ্ছে পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনে। আসানসোল ডিভিশনে নির্ভয়া প্রকল্পের জন্য ৫৩টি স্টেশনে ৭৩০টি সিসি ক্যামেরা বসানোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। ফেসিয়াল রেকগনিশন ক্যামেরায় দুষ্কৃতিদের ছবি আপলোড করা থাকবে যার ফলে যাত্রী নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে।

রেলসুরক্ষা বাহিনীর আধিকারিকরা খুব সহজেই এবার যেকোন দুষ্কৃতীকে শনাক্ত করতে পারবেন।আসানসোল ডিভিশনের কোনও স্টেশনে যদি কোনও দুষ্কৃতী থাকে আরপিএফ কন্ট্রোলরুমের মনিটরে খুব সহজেই ভেসে উঠবে ওই দুষ্কৃতীর মুখ। এমনকি কন্ট্রোলরুমে বাজবে বিশেষ অ্যালার্ম। যার ফলে দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা সহজ হয়ে যাবে আরপিএফ এর পক্ষে। এই ক্যামেরার (Facial Recognition Camera) সঙ্গে যুক্ত থাকবে বিশেষ সফটওয়্যার।

আসানসোল বাদেও হাওড়া ডিভিশন এবং রাজ্য পুলিশের হেফাজতে থাকা প্রায় সাড়ে চারশো দুষ্কৃতীদের ছবি আপলোড করা থাকবে এই সফটওয়্যারে। আসানসোল ডিভিশনের আরপিএফ-এর সিনিয়র সিকিউরিটি কমিশনার রাহুল রাজ জানিয়েছেন যে, আসানসোল ডিভিশনের মোট ৫৩টি স্টেশনের মধ্যে সবথেকে বড় মাপের স্টেশন হলো চিত্তরঞ্জন, পানাগড়, রানিগঞ্জ, মধুপুর, জসিডি।

আরও পড়ুন 👉 Train Speed Increased: এবার টুক করে পৌঁছানো যাবে গন্তব্যে, বাংলার এই সকল ট্রেনের গতি বাড়ালো পূর্ব রেল

আগামী শ্রাবণ মাসে প্রায় ১০ লক্ষেরও বেশি পুণ্যার্থী জমায়েত হয় জসিডি, দেওঘর, বৈদ্যনাথধাম, বাসুকীনাথ স্টেশনে, তীর্থযাত্রীদের যাতে কোনরকম অসুবিধা না হয় তার জন্য এই সিসিটিভি ক্যামেরাটি একেবারে উপযুক্ত ব্যবস্থা। এছাড়াও আসানসোল ও দুর্গাপুর স্টেশন বিশেষভাবে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এই সফটওয়্যার ওই দুই স্টেশনেও বসানোর কাজ চলছে। সাধারণত দুষ্কৃতীরা অপরাধ করার পরে রেল স্টেশন এবং ট্রেনকেই তাদের পালানোর মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। সেক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা সত্যি কার্যকরী হবে। চিত্তরঞ্জন রেল শহরে বেশ কিছুদিন ধরেই দুষ্কৃতীদের প্রকোপ বেড়েছে এবং তা কমানোর জন্যই এই প্রচেষ্টা।

চিত্তরঞ্জন রেল স্টেশন নির্ভয় প্রকল্পের আওতায় আসার জন্য ৩৮টি ফেসিয়াল রেকগনিশন সিসি ক্যামেরা (Facial Recognition Camera) বসানোর অনুমোদন লাভ করেছে। এমনকি পানাগড় এবং রানীগঞ্জ স্টেশনেও ৩৮টি ক্যামেরা বসানো হবে। পাশে সেনাবাহিনীর বিশেষ দপ্তর থাকার জন্য নিরাপত্তা আরো কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। রানীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনা রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছিল এবং সেই ডাকাতদল ট্রেনে উঠে বিহারে চলে গিয়েছিল এমনটাই দাবি করা হয়। সেই কারণে রেলস্টেশন এবং ট্রেনের নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা পরিকল্পনা করা হয়েছে।