এক ধাক্কায় বাড়তে চলেছে রাজ্যের বিধায়ক ও মন্ত্রীদের বেতন!

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং বিধায়কদের বেতনের পরিকাঠামো পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে এক লাফে বেতন বাড়লো অনেকটাই। শুধু মুখ্যমন্ত্রী অথবা বিধায়কদের নয়, বেতন বাড়ল পূর্ণ এবং রাষ্ট্রমন্ত্রীও।

২০১১ সালের তৃণমূল যখন রাজ্যে শাসনে আসে, সে সময় মুখ্যমন্ত্রীর বেতন ছিল ৮ হাজার টাকা। ভাতা হিসেবে মাসে পাওয়া যেত প্রায় ৪০ হাজার টাকা। তারপর ২০১৭ সালের ১১ ই মার্চ বেড়েছিল রাজ্যের বিধায়কদের বেতন। এই সময় ভাতা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বেতন দাঁড়ায় ৮৬৩০১ টাকা ও অন্যান্য মন্ত্রীদের বেতন দাঁড়ায় ভাতা সহ ৮১ হাজার ৩০০ টাকা। আর এবার ফের রাজ্য অর্থমন্ত্রকের প্রস্তাবের মমতা সায় দিলে দেড় বছরের মাথায় আবার বাড়তে চলেছে রাজ্যের মন্ত্রী বিধায়কদের বেতন।

Source

বিধানসভা চলাকালীন বিধায়করা বিধান সভায় উপস্থিত থাকার জন্যও পেয়ে থাকেন ভাতা। বামফ্রন্টের আমলে বিধান সভায় উপস্থিত থাকার জন্য প্রতিদিন প্রতি বিধায়কের জন্য ৭৫০ টাকা করে ভাতা ধার্য ছিল। পরে ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার গঠন হওয়ার পর এই ভাতা ২৫০ টাকা করে বেড়ে হয় ১০০০ টাকা।

যে বেতন পরিকাঠামোর প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রকের তরফ থেকে আনা হয়েছে সেই বেতন পরিকাঠামো কার্যকর হলে মুখ্যমন্ত্রী মোট বেতন দাঁড়াবে ১,১৭,০০১ টাকা। যার মধ্যে মূল বেতন ২৭০০১ টাকা, সঙ্গে ৯০ হাজার টাকা ভাতা। পূর্ণমন্ত্রীদের বেতন হবে ২২০০০ টাকা, সঙ্গে ৯০ হাজার টাকা ভাতা অর্থাৎ ১,১২০০০ টাকা। রাষ্ট্রমন্ত্রীদের বেতন হবে, মূল বেতন ২১,৯০০ টাকা সঙ্গে ৯০ হাজার টাকা ভাতা অর্থাৎ ১,১১,৯০০ টাকা এবং বিধায়কদের মূল বেতন ২১,৮৭০ টাকা সঙ্গে ৬০ হাজার টাকা ভাতা অর্থাৎ ৮১,৮৭০ টাকা।

Source

কিন্তু এই বেতন বাড়ার সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক ও মন্ত্রীদের মাসিক আয় ভারতের অন্যান্য রাজ্যের বিধায়ক মন্ত্রী তুলনায় অনেকটা কম হবে। কারণ উত্তরপ্রদেশের বিধায়করা বেতন পান মাসিক এক লক্ষ আশি হাজার টাকা করে। অন্যদিকে দিল্লির বিধায়করা বেতন পান দু লক্ষ দশ হাজার টাকা করে মাসিক এবং তেলেঙ্গানার বিধায়করা মাসে আড়াই লক্ষ টাকারও বেশি পান।