দীঘা, মন্দারমণিতে আর ভরসা করতে হবে না টোটো, গাড়িচালকদের, নয়া উদ্যোগ প্রশাসনের

নিজস্ব প্রতিবেদন : রাজ্যে যে সকল পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হল দীঘা। দীঘা ছাড়াও ধীরে ধীরে মন্দারমণি, শংকরপুর, তাজপুর সহ একাধিক জায়গা পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই সকল পর্যটন কেন্দ্রে এসেছে পর্যটকদের অধিকাংশ সময় ভরসা করতে হয় টোটো চালক অথবা গাড়িচালকদের উপর।

রাজ্যের অন্যান্য অধিকাংশ পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটন কেন্দ্রগুলি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গাইডের ব্যবস্থা থাকলেও দীঘায় এই ধরনের কোন ব্যবস্থা ছিল না। অথচ পূর্ব মেদিনীপুরে বহু ঐতিহাসিক জায়গা রয়েছে ঘোরার জন্য। যে কারণে এই সকল জায়গায় ঘোরার ক্ষেত্রে সবসময়ই টোটো, অটো অথবা গাড়িচালকদের উপর ভরসা করতে হয় আগত পর্যটকদের।

এবার এই টোটো, অটো ও গাড়িচালকদের উপর ভরসা কমানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল প্রশাসন। রাজ্যের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলির মতই প্রশিক্ষিত গাইডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে দিঘায়। উৎকর্ষ বাংলার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে এই ধরনের প্রশিক্ষিত গাইড নিয়োগ করা হচ্ছে। এই সকল গাইডদের আগমণে টোটো, অটো ও গাড়ি চালকদের উপর আর ভরসা করতে হবে না পর্যটকদের।

উৎকর্ষ বাংলার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যে সকল গাইড নিয়োগ করা হচ্ছে, তারা আগত পর্যটকদের সুষ্ঠুভাবে পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখাবেন। দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, শংকরপুর, পাঁশকুড়ার ক্ষিরাইয়ের ফুলবাগান থেকে শুরু করে ময়নার রাজবাড়ি, তমলুক, মহিষাদল হলদিয়া, গেঁওখালি, পটাশপুর, ভগবানপুর, খেজুরি, দরিয়াপুরের কপালকুণ্ডলা সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখানোর দায়িত্ব থাকবে তাদের ওপর।

এই সকল ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্রগুলি ঘুরে দেখানোর পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং ইতিহাস তুলে ধরবেন তারা। মোট পাঁচটি ব্যাচে ১৫০ জনকে প্রথম দফায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় টোটো, অটো অথবা গাড়ি চালকদের উপর ভরসা করে আগত পর্যটকদের বিভিন্ন জায়গা ঘোরার ক্ষেত্রে তা তাদের কাছে সুখকর হয় না।