Pension Nominee Rules Change: বদলে গেল পেনশনের নমিনি নিয়োগের নিয়ম, এবার এই সুবিধা পাবেন মহিলারা

নিজস্ব প্রতিবেদন : পেনশন (Pension) ব্যবস্থা হল এমন একটি ব্যবস্থা, যার মধ্য দিয়ে সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হয়ে থাকে। কেননা কর্মজীবনে বেতন সরকারি কর্মচারীরা যে বেতন দিয়ে সংসার চালান, ঠিক সেই রকমই কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণের পরে পেনশনের টাকা দিয়ে সংসার চালিয়ে থাকেন। এবার এই পেনশন ব্যবস্থায় নমিনি নিয়োগের নিয়মে বড় বদল (Pension Nominee Rules Change) আনল কেন্দ্র।

কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে সম্প্রতি পেনশন ব্যবস্থায় নমিনি নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়মে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তাকে যুগান্তকারী পরিবর্তন বলে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। এই ব্যবস্থা লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই পরিবর্তনের সুবিধা লাভ করতে পারবেন কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি মহিলা কর্মচারীরা।

কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে সোমবার এমন বড় নিয়মে পরিবর্তনের বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, এবার থেকে যেকোনো কেন্দ্রীয় সরকারি মহিলা কর্মচারীরা তাদের অবসরকালে পেনশনের জন্য নমিনির জায়গায় স্বামীর পরিবর্তে সন্তানের নাম মনোনীত করতে পারবেন। আগে যে নিয়ম ছিল তাতে মহিলা কর্মী তার স্বামীকে মনোনীত করতে পারতেন অথবা স্বামী না থাকলে পরিবারের যোগ্য অন্য কোন সদস্যকে মনোনীত করা যেত।

আরও পড়ুন 👉 Government Employees: সরকারি কর্মচারীদের মাথায় হাত! পেনশন-গ্রাচুইটির নিয়মে বদল, এই সব কর্মীদের আটকে যাবে টাকা

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, পেনশন ও পেনশনভোগী কল্যাণ বিভাগ কেন্দ্রীয় সিভিল সার্ভিসেস (পেনশন) বিধিমালা ২০২১ সংশোধনী এনে এমন পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই পরিবর্তন আনার পরিপ্রেক্ষিতেই এবার মহিলা সরকারি কর্মচারীরা তাদের পেনশনের জন্য সন্তানদের নাম মনোনীত করতে পারবেন। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এমনটা করা যাবে না। কোন কোন ক্ষেত্রে এমনটা করা যাবে না চলুন দেখে নেওয়া যাক।

এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, যেখানে দাম্পত্য কলহ চলছে, বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে, এছাড়াও গার্হস্থ্য সংহিতা আইন, যৌতুক নিষেধাজ্ঞা আইন অথবা ভারতীয় দণ্ডবিধির কোন মামলা চললে সেইসব পরিস্থিতিতে এমনটা করা যাবে না। কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে এমন পরিবর্তন আনা হয়েছে মূলত মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য। এছাড়াও মহিলা সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে এমন দাবিও তুলে আসছিলেন।