Bike Brake Fails: হঠাৎ বাইকের ব্রেক ফেল হলে কি করবেন! ইঞ্জিন বন্ধ করবেন নাকি করবেন না

Do not stop the engine if the brake of the bike fails: রাস্তায় গাড়ি কিংবা বাইক চালানোর সময় সবারই সুরক্ষার ব্যাপারে চিন্তা থাকে। যদি কোনো কারণে মোটরসাইকেল চালানোর সময় ব্রেক ফেল হয়ে যায় এর থেকে ভয়ানক অভিজ্ঞতা আর হতেই পারেনা। এইরকম ভয়ংকর পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে বাইকের ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন। কিন্তু মনে রাখবেন এটি করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। দুর্ভাগ্যবশত কখনো যদি বাইকের ব্রেক ফেল হয় (Bike Brake Fails) বেশ কিছু আপনাকে কৌশল মাথায় অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে কখনই ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।

ভবিষ্যতে যাতে আপনাকে কখনো এরকম দুর্ঘটনার মুখে না পড়তে হয় তার জন্য কী করা উচিত আগে থেকেই জেনে রাখুন। মোটরসাইকেল আসলে যন্ত্র দিয়ে তৈরি সেই কারণে এতে যেকোনো মুহূর্তে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই কারণে আপনাকে মানসিক দিক দিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে সেই বিপদ দ্রুত এড়ানোর জন্য। কখনো যদি বাইকের ব্রেক ফেল হয় (Bike Brake Fails) আপনি ঘাবড়াবেন না। রাস্তার ধারে যদি কোথাও মাটি বা বালি থাকে সেখানে বাইকটি ঘুরিয়ে দিতে পারেন। কারণ এই মাটি বা বালিতে বাইকের চাকা আটকে যায় এবং যার ফলে বাইকের গতি কমে যাবে।

সম্প্রতি বাজারে যেসব মোটরসাইকেল আছে সেগুলোর সামনের ও পিছনের ব্রেক আলাদাভাবে কাজ করে। তাই একসঙ্গে দুটি ব্রেক বিকল (Bike Brake Fails) হওয়ার সম্ভাবনা সাধারণত থাকে না। একটি বাইকের রিয়ার ব্রেক যদি খারাপ হয়ে তাহলে তার ফ্রন্ট ব্রেক ব্যবহার করে সহজেই বাইকটিকে রাস্তার নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা যেতে পারে। কখনোই এই অবস্থায় মোটরসাইকেল চালাবেন না। যখন রিয়ার ব্রেক সম্পূর্ণ ঠিক হয়ে যাবে তখন মোটরসাইকেল চালানো শুরু করুন।

অভিজ্ঞ বাইকাররা বরাবর বলেন যে, কখনো যদি বাইকের ব্রেক ফেল হয় (Bike Brake Fails) ইঞ্জিন বন্ধ করবার মতো ভুল করবেন না। যদি হঠাৎ ইগনিশন বন্ধ হয়ে যায় তাহলে অন্য কোনও গাড়ি এসে তাকে ধাক্কা মারতে পারে। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত রাস্তার ধারে কিংবা কোন নিরাপদ স্থানে বাইকটিকে না আনতে পারছেন ইঞ্জিন বন্ধ করবেন না।

তবে আপনি যদি ঢালু রাস্তায় বাইক চালান এবং সেই অবস্থায় ব্রেক ফেল হয় তাহলে বিপদ আরও বাড়বে। উপরের পদ্ধতিগুলির পাশাপাশি ইঞ্জিন ব্রেক ব্যবহার করুন। মোটরসাইকেলটিকে লোয়ার গিয়ারে নিয়ে আসুন। গিয়ারের লেভেল যদি কম থাকে তাহলে মেকানিক্যালি ইঞ্জিন প্রক্রিয়ায় প্রতিরোধ তৈরি হয় যার ফলে বাইকের গতি কমে যায়।