জেলে বসেই কপাল খুলল তৃণমূলের তিন বিধায়কের! সম্পত্তি বাড়বে পার্থ, মানিক, জীবনকৃষ্ণের

Shyamali Das

Published on:

নিজস্ব প্রতিবেদন : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘ সময় ধরে জেল খাটছেন তৃণমূলের তিন বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chattopadhyay), মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya) এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর বারবার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে জামিনের আবেদন করলেও কোনোভাবেই তারা জামিন পাচ্ছেন না। বারবার জামিনের আবেদন করেও যখন জামিন মিলছে না তখন স্বাভাবিকভাবেই তাদের ঘিরে বসেছে হতাশা। তবে এই হতাশার মাঝেই কপাল খুলল তৃণমূলের জেলবন্দি এই তিন বিধায়কের।

প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের তরফ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এমন অভিযোগ আসার পর। আবার প্রাক্তন প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যকেও তৃণমূলের নির্দেশে একাধিক পদ খোয়াতে হয়েছে। এমনকি তাদের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এসবের মধ্যেই কিভাবে তিনজনের কপাল খুলল তাই ভাবছেন তো?

পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহার কপাল খোলার মূলে কিন্তু খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandopadhyay)। আসলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তিনজনের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছেন। এখন আপনি ভাবতেই পারেন, জেলবন্দি তৃণমূলের তিন বিধায়কের আবার বেতন কিসের? আসলে দলীয় বিভিন্ন পদ থেকে বহিষ্কার করা হলেও কারো কিন্তু বিধায়ক পদ এখনো খারিজ হয়নি। যে কারণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী অন্যান্য বিধায়কদের ভাতা ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ হাজার টাকা হওয়ার পাশাপাশি এই তিনজনেরও তা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত দুদিন আগেই রাজ্যের বিধায়কদের ভাতা তার আমলে তৃতীয়বারের জন্য বৃদ্ধি করেন। এবার বিধায়কদের ভাতা বৃদ্ধি পেয়েছে এক লাফে ৪০ হাজার টাকা। বিধায়কদের ভাতা এখন বেড়ে হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ভাতার পরিমাণ এত বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিধায়কদের বড় অংশ খুশী। আর সেই খুশির খবরও এখন পৌঁছে গিয়েছে জেলবন্দি তিন বিধায়কের কাছে।

আবার এই তিনজন বিধায়ক সত্যিই কি বর্ধিত ভাতা পাবেন তা নিয়েও সংশয় ছিল। তবে সেই সংশয় দূর করেছেন খোঁজ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কেননা জেলবন্দি তিন বিধায়কের একাধিক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হলেও অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, কোনরকম অসুবিধে হবে না কারণ তাদের মাইনে তো তাদের অ্যাকাউন্টেই ট্রান্সফার হচ্ছে।