India Bangladesh Maitree Bridge: আরও সহজে যাওয়া যাবে বাংলাদেশ, চালু হতে চলেছে নতুন এই সেতুর!

India Bangladesh Maitree Bridge is about to be inaugurated: ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশ হল ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বর্তমানে উভয় দেশের পারস্পরিক সম্পর্কই যথেষ্ট উন্নত। উভয় দেশের মধ্যে যাতায়াত ব্যবস্থাকে ঠিক মতো পরিচালনা করতে ২০২১ সালে উদ্বোধন করা হয়েছিল মৈত্রী সেতু (India Bangladesh Maitree Bridge)। উদ্বোধন করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সেতুটির দৈর্ঘ্য মোট ১.৯ কিলোমিটার। এই ফেব্রুয়ারি মাসেই চালু হয়ে যেতে চলেছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যবর্তী মৈত্রী সেতু। এই সেতু চালু হলে উত্তর পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশে বিশেষত চট্টগ্রামের যোগাযোগ আরও অনেক বেশি সহজতর হয়ে যাবে। এর ফলে বাণিজ্যিক দিক গুলি অত্যন্ত উন্নত হবে। উভয় দেশের মধ্যে আমদানি এবং রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাণ কেন্দ্র হলো চট্টগ্রাম। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ত্রিপুরার সাব্রুম। এই দুটি অঞ্চলকে সংযুক্ত করেছে প্রায় ১.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মৈত্রী সেতু। ২০২১ সালের মার্চ মাসে উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী উপস্থিতিতে এই সেতু উদ্বোধন করা হলেও বিভিন্ন কারণে এই সেতু এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। ল্যান্ডপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা এলপিএআই এর চেয়ারম্যান আদিত্য মিশ্র বুধবার দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুমে জানান উদ্বোধন হওয়ার প্রায় তিন বছর পর ফেব্রুয়ারি মাসে অবশেষে উন্মুক্ত হতে চলেছে মৈত্রী সেতু (India Bangladesh Maitree Bridge)।

ভারত ও বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা কে উন্নত করে তুলতে আগেই চালু হয়ে গেছে ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী এক্সপ্রেস। গত বছর থেকেই রেলের চাকা সীমান্ত পার করে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করছে। বাংলাদেশ এবং আগরতলার মধ্যে এই ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। আগরতলা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত এই রেলপথের উদ্বোধন করেছিলেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। এর ফলেও উভয় দেশের বাণিজ্যের ব্যবস্থা উন্নত হয়েছিল। বর্তমানে ফেনী নদীর উপর দিয়ে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর এবং ভারতের উত্তর পূর্ব অঞ্চলের রাজ্য গুলির মধ্যে অবস্থিত এই মৈত্রী সেতু (India Bangladesh Maitree Bridge) দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ আরো অনেক বেশি সহজ করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন 👉 Sheikh Hasina Salary: মমতা চুনোপুটি! লক্ষ লক্ষ টাকা বেতন-ভাতায় লালে লাল বাংলাদেশের শেখ হাসিনা

আদিত্য মিশ্র এই মৈত্রী সেতু প্রসঙ্গে বলেন “এই প্রকল্পটি প্রায় শেষের দিকে। আগামী মাসের মধ্যে এই ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট উদ্বোধন করার জন্য আমরা সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এর ফলে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য ও যাত্রী চলাচল সহজ হবে। এটা এই অঞ্চলের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে। মৈত্রী সেতু দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলি এবং উত্তরপূর্ব ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগের নতুন পথের সূচনা করবে।

এর ফলে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সেতু হয়ে উঠবে। কার্গো এবং ট্রান্সশিপমেন্ট ছাড়াও সাব্রুম আইসিপি দুই দেশের যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা করবে”। এই সেতু সম্পূর্ণ ভাবে চালু হয়ে গেলে তা ভারত ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক অবস্থা এবং উভয় দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের পক্ষে বিশেষ ভাবে সহায়ক হয়ে উঠবে।