PM Shri School: বদলে যাবে পঠন-পাঠন পদ্ধতি, চালু হবে পিএমশ্রী স্কুল! পরিকাঠামো দেখে লজ্জা পাবে হাজার হাজার প্রাইভেট স্কুল

নিজস্ব প্রতিবেদন : বর্তমান সময়ের দিকে নজর রাখলে দেখা যাবে, সরকারি স্কুলের বদলে অভিভাবকরা তাদের ছেলেমেয়েদের বেসরকারি বা প্রাইভেট স্কুলে পড়ানোর জন্য বেশি ঝুঁকছেন। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের প্রাইভেট স্কুলে পড়ানোর জন্য এমনি এমনি ঝুঁকছেন না, এর পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। যেমন সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো দিন দিন নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠতে দেখা যাচ্ছে।

তবে শিশুদের ভবিষ্যৎ আরও সুরক্ষিত করার জন্য কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে পিএমশ্রী স্কুল (PM Shri School) চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশে ১৪ হাজার ৫০০টি এই ধরনের স্কুল খোলা হবে। পরিকল্পনা রয়েছে দেশের প্রতিটি ব্লকে অন্ততপক্ষে একটি করে এই ধরনের স্কুল খোলার। এই সকল স্কুলের পঠন পাঠন পদ্ধতি হবে একেবারে আলাদা এবং আধুনিক ও উন্নতমানের।

দেশে যে সকল পিএমশ্রী স্কুল খোলা হবে বা কোন স্কুলকে এই স্কুলে উত্তীর্ণ করা হলে সেই স্কুল কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের আদলে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় থাকবে। এই ধরনের স্কুলে যে পরিকাঠামো তৈরি করা হবে তা বহু প্রাইভেট স্কুলেও পাওয়া যাবে না বলেই দাবি করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই পিএমশ্রী স্কুল নিয়ে সাধারণ মানুষদের মধ্যে কৌতুহলের শেষ নেই, তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক এই সকল স্কুলে কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে?

আরও পড়ুন 👉 Happiest Country in World: সাত সাতবার বিশ্বের সুখীতম দেশের তকমা পেল ফিনল্যান্ড! কত নম্বরে ভারত

পিএমশ্রী স্কুলে থাকবে স্মার্ট ক্লাসরুম, ল্যাব, আধুনিক লাইব্রেরি এবং সমস্ত সুবিধা সহ খেলার মাঠ। প্রাথমিক ও প্রাক প্রাথমিক পড়ুয়ারা যাতে খেলাধুলার প্রতি আলাদা নজর দেয় সেই দিকে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। এই ধরনের স্কুলে যে সকল শিক্ষকদের নিয়োগ করা হবে তাদের আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার। এছাড়াও ছোট বাচ্চাদের ক্লাসরুমে খেলনা থেকে শুরু করে আধুনিক যন্ত্রপাতি রাখা হবে। যাতে করে তারা ছোটতে পারদর্শী হয়। এর পাশাপাশি জৈব জীবনধারা এই স্কুলের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হবে। এই সকল স্কুলে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে।

তবে এই ধরনের স্কুল পশ্চিমবঙ্গে চালু হবে কিনা তা নিয়ে ইতিমধ্যেই দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। কেননা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়েছে এবং সমগ্র শিক্ষা মিশনের সঙ্গে এই প্রকল্পকে যুক্ত করা হয়নি। এমনকি এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে সমগ্র শিক্ষা মিশনের এক হাজার কোটি টাকা আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সমগ্র শিক্ষা মিশনের সঙ্গে পিএমশ্রী প্রকল্পকে সংযুক্ত করলেই টাকা দিয়ে দেওয়া হবে।