KMDA: যাত্রাপথ সুরক্ষিত করতে জোর রাজ্যের! কাজ শুরু হবে এই ৪ ফ্লাইওভারের

Antara Nag

Published on:

KMDA will start renovation of these 4 flyovers to enhance passenger safety: রাজ্যবাসীকে সুযোগ সুবিধা দিতে সর্বক্ষণ তৎপর রাজ্য সরকার। সর্বদিক থেকেই উন্নতির পথে রাজ্য। তেমনি রাজ্যের জনসাধারণের যাতায়াত সুগম করতে সেতু সংস্করণে নজর রাজ্যের। কয়েক মাস আগেই শেষ হয়েছে সেতু স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ। খুব শীঘ্রই KMDA-এর তরফে শুরু হবে ৪টি সেতু সংস্করণের কাজ। অপেক্ষা শুধু অনুমতির। কোন চারটি সেতু? কার অনুমতির অপেক্ষাতেই বা রয়েছে KMDA?

KMDA সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই সংস্করণ হবে ধনধান্য সেতু, পুরনো দুর্গাপুর ব্রিজ, চেতলা ব্রিজ এবং আলিপুরের জিরাট ব্রিজ। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে এই সেতুগুলির সংস্করণ করা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। সেই অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা KMDA ধাপে ধাপে সেই সংস্করণের কাজ শুরু করবে। কিন্তু সংস্করণের আগে দরকার অনুমোদনের। আর সেই অনুমোদনের জন্য কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুলিশকে এই বিষয়ে জানিয়েছে কেএমডিএ কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, ছয় মাস আগেই এই সেতু সংস্করণের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয় এক বিশেষজ্ঞ সংস্থার হাতে। সেই বিশেষজ্ঞ সংস্থার পরীক্ষার নিরিখেই সংস্করণ হয় মা ফ্লাইওভারের কাজ। পাশাপাশি রিপোর্টে উঠে আসে এই ৪ সেতু সহ কালীঘাট সেতু। যে সেতুর অবস্থা খুবই শোচনীয়। তবে কালীঘাট সেতু সংস্করণ হবে, কি স্বাস্থ্য পরীক্ষা আবার করা হবে সেই নিয়ে কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে উপরে উল্লেখিত ৪ সেতু শীঘ্রই সংস্করণ হবে বলে জানা যাচ্ছে। কি কি সংস্করণ প্রয়োজন?

আরও পড়ুন 👉 Bridge Collapsed in Bihar: জলের তেজ বাড়তেই হুরমুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ১২ কোটির ব্রিজ! হাঁ করে দেখলেন গ্রামবাসীরা

কেএমডিএকে দেওয়া বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, উপরে উল্লেখিত ৪ সেতুর বিয়ারিং, পাইপলাইন সংস্করণ এবং পিলারের গার্ডার বদলানো অত্যন্ত জরুরী। কারণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং সেতুতে জল জমার কারণে বিয়ারিংগুলোর ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি জল নিকাশের ব্যবস্থা ভালো করার জন্য পাইপলাইন সংস্করণের দাবি করেছে বিশেষজ্ঞ কমিটি।

তবে কবে থেকে কাজ শুরু হবে সেই নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। KMDA সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশের অনুমোদন পেলেই শুরু হবে সেতু সংস্করণের কাজ। কোন সেতুর কাজ আগে হবে তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কয়েক দিনের মধ্যেই ব্রিজ অ্যাডভাইজারি কমিটির একটি বৈঠক ডাকা হবে। আর সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে যাত্রী যাতায়াতে কোনো সমস্যা তৈরি হবে না। কারণ পরিকল্পনা করা হয়েছে রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত সংস্করণের কাজ চলবে। তবে এখন অপেক্ষা শুধু পুলিশি অনুমোদনের।