Ram Mandir 11 Days Donation: প্রথম ১১ দিনেই রাম মন্দিরে এত কোটি এলো দান, গোনার কাজ করছেন এত ব্যাঙ্ককর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদন : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে গত ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছে রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। রাম মন্দিরের উদ্বোধন এবং রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সেখানে ভক্তদের ভিড় জমছে চোখে পড়ার মতো। দূর দূরান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ পর্যটক রাম মন্দিরে আসছেন বালক রামের দর্শনের জন্য। বালক রামকে দর্শন করে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের তরফ থেকে অনুদানও দেওয়া হচ্ছে বিপুল পরিমাণে।

রাম মন্দির নির্মাণের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেভাবে অর্থ সাহায্য তুলে দেওয়া হয়েছিল রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টকে তা ছিল একপ্রকার নজির বিহীন। বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা এমন অনুদানের পরিপ্রেক্ষিতে মন্দির উদ্বোধনের পরও যে বিপুল পরিমাণ অর্থ অনুদান হিসাবে ভক্তদের থেকে পাওয়া যাবে তা আগেই আন্দাজ করা হয়েছিল। সেই আন্দাজ অনুযায়ী উদ্বোধনের পর ১১ দিনে কত ভক্তের সমাগম হল আর কত অনুদান (Ram Mandir 11 Days Donation) পাওয়া গেল চলুন দেখে নেওয়া যাক।

২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৫ লক্ষ ভক্তদের সমাগম হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে মন্দির কমিটির তরফ থেকে। আরে এই ১১ দিনে যে পরিমাণ অনুদান রাম মন্দিরের জন্য জমা পড়েছে তা শুনলে আপনারও তাক লেগে যাবে। প্রথম ১১ দিনে মোট ১১ কোটি টাকারও বেশি দান হিসেবে জমা পড়েছে রাম মন্দিরের প্রণামী বাক্সে। হিসেব অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে এক কোটি টাকা করে দান হিসাবে জমা পড়েছে রাম মন্দিরে।

আরও পড়ুন 👉 Ram Setu: রাম মন্দির অতীত, এবার রাম সেতু বানাবে কেন্দ্র! সামনে এলো বড় পরিকল্পনা

রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের অফিস ইনচার্জ প্রকাশ গুপ্ত জানিয়েছে, বালক রামের দর্শনপথে মোট চারটি প্রণামী বাক্স রাখা হয়েছে যাতে করে রাম মন্দিরে আসা ভক্তরা অনায়াসে দান করতে পারেন। এর পাশাপাশি ১০টি কম্পিউটারাইজড কাউন্টার রয়েছে যেগুলিতেও রাম মন্দিরের জন্য দান করা যাবে। এই সকল কাউন্টারে নিযুক্ত কর্মীরা প্রতিদিন সন্ধ্যার পর কাউন্টার বন্ধ হয়ে গেলে দানের টাকা ট্রাস্ট অফিসে জমা দেন।

প্রতিদিন এক কোটি টাকা করে রাম মন্দিরে যে দান জমা পড়ছে তা গোনার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে ১১ জন ব্যাঙ্ক কর্মীকে। এর পাশাপাশি তিনজন রয়েছেন রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্য। এই বিপুল পরিমাণ টাকা গোনার জন্য তাদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে একটি কমিটি। তারাই এই দানের টাকা গোনা থেকে শুরু করে জমা সবকিছুই করেন। পুরো বিষয়টি হয় সিসিটিভি ক্যামেরার তত্ত্বাবধানে। আবার এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দান হিসেবে পাওয়ার ক্ষেত্রে নগদের পরিমাণ বেশি থাকলেও অনলাইন এবং চেকের মাধ্যমেও বিপুল টাকা জমা হয়েছে।