Motorcycle mileage: বাইক তো চালান! কিন্তু জানেন কি ৫০ টাকার তেলে কত মাইলেজ পাওয়া যায়

Prosun Kanti Das

Published on:

Do you know how much mileage a 50 rupee oil can give a bike: নতুন মোটরসাইকেল কিংবা স্কুটার কেনার পর তার মাইলেজ নিয়ে সংশয় থাকে অনেকেরই (Motorcycle mileage)। কিন্তু যদি জানতে পারেন শখের গাড়ির মাইলেজ কম তাহলেই বিপত্তি। তবে আপনার গাড়ির জ্বালানি দক্ষতা যদি ভালো হয় তাহলে তো আপনার সোনায় সোহাগা। তবে বাইক আরোহীদের মধ্যে মাইলেজ প্রসঙ্গে একটি প্রচলিত অভ্যাস রয়েছে। তবে অনেকে পেট্রল পাম্পে গিয়ে ৫০ টাকা তেল ভরানোর মত কাজ করে থাকে। আদৌ কি আপনার গাড়ির পক্ষে এটি ভালো?

এদেশে এই চিত্র কিন্তু নতুন কিছু নয়, বহু পেট্রল পাম্পেই এই দৃশ্য প্রায় দেখা যায়। এখানকার মোটরবাইক চালকেরা ৫০ টাকার তেল ভরেই নিশ্চিন্ত হয়ে যান। কিন্তু আপনি যদি খরচ বাঁচাতে ৫০ টাকার তেল ভরেন তাহলে আপনার মোটরসাইকেল কতটা মাইলেজ (Motorcycle mileage) দিতে পারবে জানেন কি? অনেকের কাছে এর সঠিক উত্তর নেই।

তবে আপনাদের জেনে রাখা দরকার যে, ৫০ টাকার তেল ভরলে কিন্তু খুব কম মাইলেজ (Motorcycle mileage) পাওয়া যায় না। পুরো ব্যাপারটিকে জটিল করে দেখা হলেও আসলে এই ব্যাপারটি এত জটিল নয়। আপনি যদি পেট্রোল পাম্পে গিয়ে ৫০ টাকার তেল ভরে্ন তাহলে ০.৬২ থেকে ০.৬৯ লিটার পেট্রল পাওয়া যায়। কিন্তু মাইলেজের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে প্রচুর। একেকটা বাইক একেক রকম মাইলেজ দিয়ে থাকে। আপনি যদি ১ লিটার পেট্রল ভরেন তাহলে ৫০ কিমি মাইলেজ দেবে আপনার বাইক তাহলে ৫০ টাকার তেলে ২৪ থেকে ২৫ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যাবে সহজেই।

বিশিষ্ট মেকানিকদের পরামর্শ অনুসারে, এই অভ্যাস মোটেই বাইকের জন্য ভালো নয়। এতে আপনার মোটরসাইকেলের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, এদেশে ২০২০ সালের পর বেশিরভাগ BS6 মোটরবাইক বিক্রি হয়। এইধরনের বাইকের ফুয়েল ট্যাংক একদম ফাঁকা বা কম তেল রাখা উচিত না। অবশ্যই মোটরসাইকেলে ১ থেকে ২ লিটার তেল রাখা উচিত। ১০০ সিসি বা ১২৫ সিসি মোটরবাইকের জন্য কম পরিমাণ তেল ভরলেও, ২০০ সিসি বা তার বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন বাইকের জন্য কখনোই ৫০ টাকার তেল ভরানোর প্রবণতা ভালো নয়। মাইলেজ (Motorcycle mileage) ভালো দিলেও পরবর্তীতে আপনার বাইকের ক্ষতি হতে পারে।

তবে এই পেছনে কি পেট্রোল ডিলারদের কোনরকম স্বার্থ থাকে? আরেকটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, বাইকের ফুয়েল ট্যাংকে কখনো যদি পেট্রল কম থাকে তাহলে ফুয়েল পাম্পের মাধ্যমে বাইকের ইঞ্জিনে বাতাস পৌঁছতে শুরু করে। বাইকের ফুয়েল পাম্প এক্ষেত্রে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাইকের স্বাস্থ্যের জন্য সর্বদাই বাইকে নুন্যতম পেট্রল ভরার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু আপনার যদি এই ধরনের অভ্যাস থাকে তাহলে মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে যেতে পারে বাইক। এমনকি বাইকের ফুয়েল ইনজেক্টর নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আপনার যদি এই ধরনের অভ্যাস থাকে তাহলে অবশ্যই ত্যাগ করুন।