Net worth of Tony Khan: আম্বানির ছেলেপুলেরা ছাপোষা! এই পাক ধনকুবেরের ছেলের সম্পত্তি গুণে গুণে দেবে ১০ গোল

Prosun Kanti Das

Updated on:

Net worth of Tony Khan, Pakistani Guy will surprise you: বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় সর্বদাই চোখে পড়ে মুকেশ আম্বানির নাম। তিনি বরাবরই থাকেন খবরের শিরোনামে এবং তার নিত্যদিনের জীবনযাত্রা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে একটু বেশি। শুধু ভারতে নয় গোটা বিশ্ব ধনকুবের মুকেশ আম্বানিকে এক কথায় চেনে। তার সম্পত্তির পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে বিশ্বের বহু তাবড় তাবড় ধনী ব্যক্তিদেরও। কিন্তু আজকের প্রতিবেদনে আলোচনা করা হবে এক পাক ধনকুবেরের সম্পর্কে, সম্পত্তির দিক থেকে আম্বানিকে কি ছাড়িয়ে গেছেন তিনি (Net worth of Tony Khan)?

মুকেশ আম্বানির সম্পত্তির পরিমাণ অবাক করে আমাদের সকলকে। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে রয়েছে এর থেকেও বেশি ধনী একজন ব্যক্তি। অবশ্য পাকিস্তানের শিল্পপতিরা ভারতীয় শিল্পপতিদের থেকে সম্পত্তির দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। অনেকেই হয়তো জানেন না পাকিস্তানের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলেন শাহিদ খান। তিনি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হলেও আমেরিকার ব্যবসায়ী। এছাড়াও তিনি ‘জ্যাকসনভিল জাগুয়ার’ ফুটবল দলের মালিক। বর্তমানে যার বাজার মূল্য ৬ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ‘ফুলহ্যাম এফসি’ নামে একটি ফুটবল দল রয়েছে তাঁর। দলটি কিনতে তাকে ব্যয় করতে হয় ২ হাাজর ৪৫৩ কোটি টাকা। ‘ফ্লেক্স-এন-গেট’ নামে একটি সংস্থাও রয়েছে শাহিদের। এই ব্যক্তির সম্পত্তির পরিমাণ (Net worth of Tony Khan) অবাক করবে আপনাকে?

অবশ্য বর্তমানে তিনি কিন্তু স্থায়ীভাবে আমেরিকাতেই বাস করেন। শাহিদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ (worth of Tony Khan) হলো প্রায় এক হাজার ১৪০ কোটি ডলার। তার আয়ের প্রধান উৎস হলো গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রি। শাহিদের নাম রয়েছে বিশ্বের সেরা ধনীদের তালিকায় ২৯১ নম্বরে। এবার আলোচনা করা যাক শাহিদের পুত্র টনি খানের ব্যাপারে। বাবার সম্পত্তিকে বৃদ্ধি করতে তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন। টনির আসল নাম অ্যান্টনি রফিক খান। বর্তমানে তার কাজ বাবার ব্যবসার বেশিরভাগ অংশই দেখাশোনা করা।

আসলে শাহিদের মূল ব্যবসা হলো তাঁর সংস্থা ফ্লেক্স এন গেটের মাধ্যমে ধাতব উপাদান তৈরি এবং সরবরাহ। কিন্তু টনি মেতে থাকেন ফুটবল ক্লাব নিয়ে, তার জন্ম আমেরিকার ইলিনয়ে। বাবার ‘জ্যাকসনভিল জাগুয়ার’ ও ‘ফুলহ্যাম এফসি’ বাদেও টনি যুক্ত আছেন ‘অল এলিট রেসলিং’-এর সঙ্গেও। এছাড়াও তিনি যুক্ত ‘ট্রুমিডিয়া নেটওয়ার্ক’, ‘অ্যাক্টিভিস্ট আর্টিস্ট ম্যানেজমেন্ট’ ও ‘রিং অফ অনার’ নামে সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্ত।

একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা গেছে যে, টনির মোট সম্পত্তির পরিমাণ (Net worth of Tony Khan) প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। তবে পাক ধনকুবের শাহিদ পুত্রের থেকে অনেক গুণ বেশি অম্বানী পুত্রদের সম্পত্তির পরিমাণ। সম্পত্তির দিক থেকে টনি আম্বানি পুত্রদের টেক্কা দিতে না পারলেও সমাজমাধ্যমে তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয়। জানলে আশ্চর্য হবেন ইনস্টাগ্রামে টনির ফলোয়ারদের সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। বর্তমানে প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক দুটো দিক থেকে দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু তবুও এই পিতা পুত্রের ব্যবসায় কোন রকম ভাঁটা পড়েনি।