Tata Nexon EV Facelift: এক চার্জে ছুটবে ৪৬৫ কিমি! এসে গেল Tata Nexon EV Facelift, দাম কত দেখে নিন

Prosun Kanti Das

Published on:

Tata has revolutionized the electric vehicle market with the Tata Nexon EV Facelift: জীবাশ্ম জ্বালানী ক্রমে মহার্ঘ্য হয়ে উঠছে। যার কারণে গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি ঝুঁকেছে বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরিতে। সেই ধারাতে পিছিয়ে নেই টাটা মোটরসও। ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে নতুন এক পর্বের সূচনা হল টাটা নেক্সন ইভি ফেসলিফ্ট (Tata Nexon EV Facelift) লঞ্চের মাধ্যমে। মডেলটি বাজারে আগেও ছিল। তবে এই নতুন মডেলেটি আগের থেকেও বেশি উন্নত ফিচার এবং মাইলেজ নিয়ে এসেছে। টাটা নেক্সন ইভি ফেসলিফ্টের ডিজাইন আগের মডেলের চেয়ে অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। গাড়িটির সামনের অংশে নতুন এলইডি হেডল্যাম্প, এলইডি টিআরআইপিপ লাইট এবং নতুন গ্রাফিক্সের গ্রিল রয়েছে। গাড়িটির পিছনে নতুন এলইডি টেইললাইট এবং নতুন গ্রাফিক্সের রিয়ার বম্বার রয়েছে।

টাটা নেক্সন ইভি ফেসলিফ্টের ইন্টিরিয়রও আগের মডেলের চেয়ে অনেকটাই উন্নত হয়েছে। গাড়িটিতে দেওয়া হয়েছে একগুচ্ছ স্মার্ট ফিচার্স। গাড়িটির ড্যাশবোর্ডে নতুন ১০.২৫ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম, ১০.২৫ ইঞ্চি ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, নতুন সানরুফ এবং নতুন স্টিয়ারিং হুইল রয়েছে।Tata Curvv কনসেপ্ট অনুযায়ী কিছুটা ডিজাইন করা হয়েছে গাড়িটি।

গাড়িটিতে (Tata Nexon EV Facelift) দুটি ব্যাটারি প্যাকের অপশন রয়েছে। ৩০.২kWh ব্যাটারি প্যাকের মডেলটি সর্বোচ্চ ১২৭bhp শক্তি এবং ২৪৫Nm টর্ক উৎপন্ন করে। এই মডেলটি ফুল চার্জে ৩২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে। ৪০.৫kWh ব্যাটারি প্যাকের মডেলটি সর্বোচ্চ ১৪৩bhp শক্তি এবং ৩৫০Nm টর্ক উৎপন্ন করে। এই মডেলটি ফুল চার্জে ৪৫৩ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে।

এছাড়াও আছে ৬টি এয়ারব্যাগ, অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (ABS), ইলেকট্রনিক ব্রেক-ফোর্স ডিস্ট্রিবিউশন (EBD), ব্রেক অ্যাসিস্ট (BA), লেন ডিপারচার ওয়ার্নিং (LDW), হেড-আপ ডিসপ্লে (HUD) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ফিচার রয়েছে। টাটা নেক্সন ইভি ফেসলিফ্টের (Tata Nexon EV Facelift) দাম শুরু হচ্ছে ১৪.৭৪ লাখ টাকা (এক্স-শোরুম) থেকে। ৪০.৫kWh ব্যাটারি প্যাকের মডেলের দাম শুরু হচ্ছে ১৯.৯৪ লাখ টাকা (এক্স-শোরুম) থেকে।

ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে একটি বড় মাইলফলক হলো এই গাড়িটি। গাড়িটি আগের মডেলের চেয়েও বেশি উন্নত ফিচার এবং মাইলেজ নিয়ে এসেছে। এটি নিশ্চিতভাবেই ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে আরও বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করবে। এটিতে সবকিছুই রয়েছে যা একজন গাড়ির মালিক চাইতে পারে।