Unakoti: পুজোয় ত্রিপুরা ঘুরতে যাবেন ভাবছেন! সরকার আপনাকে দেবে বিশেষ সুবিধা

Prosun Kanti Das

Published on:

To develop the tourism industry, the government of Tripura is providing accommodation facilities in Unakoti: ত্রিপুরার পর্যটন শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে ত্রিপুরা সরকার ঊনকোটিতে (Unakoti) থাকা-খাওয়ার সুযোগের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঊনকোটিতে পর্যটকদের জন্য একটি ক্যাফেটেরিয়া এবং অন্যান্য সুযোগসুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও, ঊনকোটিকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

ঊনকোটিতে (Unakoti) থাকা-খাওয়ার সুযোগের ব্যবস্থা করা হলে পর্যটকরা দীর্ঘদিন ধরে ঊনকোটি ভ্রমণ করতে পারবেন। বর্তমানে, ঊনকোটিতে পর্যটকদের থাকার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। তাদের কাছে শুধুমাত্র আশেপাশের গ্রামে থাকার বা হোটেলে থাকার বিকল্প রয়েছে। এতে পর্যটকদের ভ্রমণে অসুবিধা হয়। ঊনকোটিতে ক্যাফেটেরিয়া চালু হলে পর্যটকরা তাদের খাওয়া-দাওয়ার সমস্যা সমাধান করতে পারবেন। বর্তমানে, ঊনকোটিতে কোনো ক্যাফেটেরিয়া বা রেস্তোরাঁ নেই। পর্যটকদের কাছে শুধুমাত্র আশেপাশের গ্রামে খাবারের দোকানে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। এতে পর্যটকদের খাবারের জন্য বেশ দূরে যেতে হয়।

ঊনকোটিকে (Unakoti) ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এটি হলে ঊনকোটি বিশ্বের কাছে আরও বেশি পরিচিতি পাবে। এতে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং ত্রিপুরার পর্যটন শিল্পের বিকাশ হবে। ঊনকোটিতে থাকা-খাওয়ার সুযোগের ব্যবস্থা করা হলে পর্যটকরা ঊনকোটিতে আরও বেশি সময় কাটাতে পারবেন এবং ঊনকোটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। এতে ঊনকোটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

ঊনকোটিতে (Unakoti) পাহাড়ের গায়ে খোদাই করা ১০০টি মূর্তি পাওয়া গেছে। এই মূর্তিগুলি খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীর মধ্যে তৈরি বলে ধারণা করা হয়। ঊনকোটির মূর্তিগুলি ভারতীয় শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। ঊনকোটিতে রয়েছে একটি প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর। এই জাদুঘরে ঊনকোটির মূর্তিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলি সংরক্ষণ করা হয়েছে। ঊনকোটিতে রয়েছে একটি প্রাকৃতিক উদ্যান। এই উদ্যানে বিভিন্ন রকমের গাছপালা এবং প্রাণী রয়েছে। ঊনকোটিতে থাকা-খাওয়ার সুযোগের ব্যবস্থা করা হলে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে, ঊনকোটিতে প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ পর্যটক আসেন। থাকা-খাওয়ার সুযোগের ব্যবস্থা করা হলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।

ঊনকোটিতে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ত্রিপুরার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পর্যটকদের থাকা-খাওয়া, পরিবহন, কেনাকাটা ইত্যাদির মাধ্যমে ত্রিপুরার অর্থনীতিতে বড় অঙ্কের অর্থ প্রবাহিত হবে। ঊনকোটিতে থাকা-খাওয়ার সুযোগের ব্যবস্থা করা ত্রিপুরার পর্যটন শিল্পের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ত্রিপুরার অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।