বিজ্ঞাপন

করোনায় রাজ্যে মোট সুস্থ ৩২৩ জন, আপনার জেলায় কত

বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদন : ভারতে দিনের পর দিন যেমন করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে ঠিক তেমনি বাড়ছে সুস্থ হওয়ার হারও। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকে যে রিপোর্ট পেশ করা হয় তাতে জানা যায় ভারতে এখনো পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬৫৪০ জন। অর্থাৎ কাছাকাছি ৩০%। ঠিক একইভাবে রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকেও শুক্রবার জানানো হয় রাজ্যে করোনাকে জয় করে মোট সুস্থ ৩২৩ জন। শতাংশের বিচারে দেশের তুলনায় সুস্থ হওয়ার হার পশ্চিমবঙ্গে অনেকটা কম হলেও ধীরে ধীরে তা বাড়ছে।

বিজ্ঞাপন

রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় পশ্চিমবঙ্গের নতুন করে ১৩০ জনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আর নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। বর্তমানে রাজ্যের মোট সংক্রামিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬৭৮ জন। যাদের মধ্যে সুস্থ ৩২৩ জন। মোট মৃত (৮৮+৭২) জন। অর্থাৎ রাজ্যে বর্তমানে মোট অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ১১৯৫ জন। এবার প্রশ্ন হল শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যে যে মোট ৩২৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন এদের মধ্যে আপনার জেলায় কতজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন?

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যে সব থেকে বেশি করোনা রোগী হলেন কলকাতা থেকে। যেখানে মোট রোগীর সংখ্যা ৮৪৬ জন। এই জেলায় মোট মৃত (৫৫+৫২) জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬৭ জন।

হাওড়া জেলায় মোট রোগীর সংখ্যা ৩৬২ জন। যাদের মধ্যে মারা গেছেন (১৫+৫) জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৪ জন।

উত্তর ২৪ পরগনায় ২৩২ জনের মধ্যে সুস্থ ৪৯ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫৫ জনের মধ্যে সুস্থ ১১ জন। হুগলিতে ৫৪ জনের মধ্যে সুস্থ ১২ জন। পশ্চিম বর্ধমানের ১২ জনের মধ্যে সুস্থ ৬ জন। পূর্ব বর্ধমানের ৫ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ জন। পূর্ব মেদিনীপুরের ৪৪ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৩ জন। পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৭ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ জন। বীরভূমে ৬ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ জন। নদিয়ায় ৯ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮ জন। জলপাইগুড়িতে ৪ জনের মধ্যে ৪ জনই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কালিম্পং জেলায় ৭ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ জন। আর দার্জিলিঙে ৭ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ জন।

দেশ এবং রাজ্যে প্রতিনিয়ত সংক্রমণ বাড়লেও সুস্থ হয়ে ওঠার যে পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে তা থেকে কোটি কোটি মানুষ করোনার হতাশা থেকে আশার আলো দেখছেন। মানুষ আরও একটু সচেতন হলে এই সংক্রমণের হার আরও অনেকটা কমে যাবে বলে মত পোষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আর তেমনটা হলেই করোনা থেকে মুক্তির পথ অতি সহজেই খুঁজে পাবে ভারতবর্ষ।