লক্ষ্মীর ভান্ডার অটোমেটিক বার্ধক্য ভাতায় যায়নি! এক ফোনে হবে সমাধান

Shyamali Das

Published on:

নিজস্ব প্রতিবেদন : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের যে সকল প্রকল্প রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রকল্প ধরা হয় লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmir Bhandar) প্রকল্পকে। কেননা এই প্রকল্পের মধ্য দিয়েই রাজ্যের ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলাদের মাসে মাসে ৫০০ টাকা অথবা ১০০০ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে এই প্রকল্পের বিষয়ে আরও বেশ কিছু অজানা তথ্য রয়েছে যেগুলি জানা খুব দরকার।

সম্প্রতি রাজ্যের অন্তর্ভুক্তি বাজেটে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ঘোষণা করেছিলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প কেবল ২৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত রাজ্যের মহিলাদের সুবিধা দেবে এমন নয়। এর পাশাপাশি যখনই ওই মহিলার বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে যাবে তখন তিনি ১০০০ টাকা করে প্রতি মাসে পাবেন। এর জন্য উপভোক্তাদের কিছু করতে হবে না, পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থাৎ অটোমেটিক।

মূলত রাজ্যের যে সকল মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত রয়েছে তাদের যখন বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে যাবে তখন লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প বার্ধক্য ভাতা প্রকল্পে রূপান্তরিত হবে। তখন তারা বার্ধক্য ভাতার প্রাপ্য টাকা হিসাবে প্রতিমাসে ১০০০ টাকা করে পাবেন। এক্ষেত্রে ওই মহিলাকে বার্ধক্য ভাতার জন্য আর আলাদা করে আবেদন করতে হবে না। কিন্তু প্রশ্ন হল যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কারো এই কাজ না হয় তাহলে তিনি কি করবেন, কোথায় যোগাযোগ করবেন?

সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের এমন ঘোষণার পর বহু মহিলার বয়স ৬০ বছর পার হওয়ার পরই তার নাম লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প থেকে বার্ধক্য ভাতা প্রকল্পে রূপান্তরিত হয়েছে। পুরো বিষয়টি পোর্টালের মাধ্যমে হওয়ার কারণে কোন সমস্যা হচ্ছে না। যাদের নাম এখনও লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে বার্ধক্য ভাতায় রূপান্তরিত হয়নি তাদের নামও খুব তাড়াতাড়ি রূপান্তরিত হয়ে যাবে। যদি না হয় সেক্ষেত্রে উপভোক্তাকে কিছু করণীয় কাজ করতে হবে।

এক্ষেত্রে প্রথমেই ওই উপভোক্তাকে ৬ থেকে ৭ মাস অপেক্ষা করতে হবে। তারপরও যদি না হয় সে ক্ষেত্রে বিষয়টি স্থানীয় বিডিও অফিস অথবা পৌরসভায় জানাতে হবে। এছাড়াও রয়েছে সরকারি হেল্পলাইন এবং সেখানে ফোন করেও অভিযোগ জানানো যাবে। ৯১৩৭০৯১৩৭০ নম্বরে সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন উপভোক্তারা।