বিজ্ঞাপন

One Nation One Election: জানেন কবে থেকে চালু হবে ‘এক দেশ এক নির্বাচন’, সামনে এলো সম্ভাব্য সময়সূচি

বিজ্ঞাপন

Central Government is Planning For One Nation One Election: আগামী বছর হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচন এবং তার আগেই জোরকদমে জল্পনা শুরু হয়েছে “এক দেশ এক নির্বাচন”(One Nation One Election) নিয়ে। তাহলে লোকসভা নির্বাচনের সাথেই কি করা হবে সমস্ত রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন? এই বিষয়ে কি বলছে নির্বাচন কমিশনারের অধিকারিকরা? জানতে পারবেন আজকের প্রতিবেদনটির মাধ্যমেই।

কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে, ২০২৪ সালে একসঙ্গে নির্বাচন সংঘটিত করা সম্ভব নয়। কিন্তু প্রকাশ্যে এলো সম্ভাব্য নির্বাচনের সময়সূচী। আদৌ কি কোনদিনও সম্ভব একসাথে লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচন সংঘটিত করা? জাতীয় নির্বাচন কমিশন অবশ্য এ ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন যে, দু’রকমের নির্বাচন একসাথে সংঘটিত করার জন্য আরও দেড় বছর সময়ের প্রয়োজন। এছাড়াও “এক দেশ এক নির্বাচন”(One Nation One Election) হতে গেলে মোট তিরিশ লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের প্রয়োজন। একটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন অর্থাৎ EVM-এ থাকে একটি কন্ট্রোল ইউনিট, একটি ব্যালট এবং একটি ভোটার ভেরিফায়াবল পেপার অর্থাৎ VVPAT।

বিজ্ঞাপন

সূত্র মারফত আরো জানা গেছে যে, যদি একসঙ্গে ভোট সংগঠিত করতে হয় তাহলে প্রয়োজন হবে ৩০ লাখ কন্ট্রোল ইউনিট, ৩২ লাখ VVPAT। অনেক সময় দেখা যায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ইভিএম খারাপ হয়ে গেছে সে ক্ষেত্রে রিজার্ভে কিছু ইভিএম রাখা অবশ্যই প্রয়োজন। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের কাছে ৩৫ লাখ ভোটিং ইউনিটের অভাব রয়েছে। কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট এবং VVPAT মিলিয়ে এই পরিসংখ্যান করা হয়েছে। সেই কারণে এই মুহূর্তেই লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে “এক দেশ এক নির্বাচন”(One Nation One Election) করা সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

দেশজুড়ে যখন “এক দেশ এক নির্বাচন”(One Nation One Election) নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে তখন নির্বাচন কমিশন আইন কমিশন কে জানিয়েছে যে, তাদের কাছে EVM মেশিন স্টোর করার জন্য পর্যাপ্ত ওয়্যারহাউজিং পরিষেবাও নেই। বিষয়টি নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে একটি বৈঠক করে আইন কমিশনের সদস্যরা। যদি এই মুহূর্তে দেশে একসঙ্গে লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের আয়োজন করা হয় তাহলে কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে?

পোলিং স্টেশনের সংখ্যা, পরিকাঠামোর অভাব এবং প্রযুক্তিগত কারণে এই কাজ একসঙ্গে করা অসম্ভব। যখন লোকসভা এবং কোনও কোনও রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে পড়ে, সে সময় ভোটাররা আলাদা আলাদা EVM-এ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এক দেশ এক ভোটের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজন ১৫ লাখ কন্ট্রোল ইউনিট, ১৫ লাখ VVPAT ইউনিট, ১৮ লাখ ব্যালট ইউনিট। এক দেশ এক নির্বাচন হলে নির্বাচনের খরচ বাড়বে না কমবে, সেই নিয়ে এখন অঙ্ক কষা চলছে। সব কিছু ঠাওর করে প্রস্তুতি সারতে আরও বছর দেড়েক সময় লাগবে বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।