Kunar Hembram Property: বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে কুনার হেমব্রম! কত টাকার সম্পত্তি রয়েছে বিদায়ী সাংসদের

Shyamali Das

Published on:

নিজস্ব প্রতিবেদন : বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বৃদ্ধি বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই টের পাওয়া যাচ্ছিল। এরই মধ্যে ভোটের আগে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দল ত্যাগ করেছিলেন ঝাড়গ্রামের বিদায়ী সাংসদ কুনার হেমব্রম (Kunar Hembram)। যদিও দল ত্যাগ করলেও সাংসদ পদ থেকে ইস্তাফা দেননি এবং এক সময় জানিয়েছিলেন অন্য দলে যাবেন না। তবে ভোট এগিয়ে আসতেই তাকে তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারেও দেখা গিয়েছিল। শেষমেষ সেই বিদায়ী সাংসদ রবিবার ঝাড়গ্রামে অভিষেক ব্যানার্জীর সভায় তৃণমূলে যোগ দিলেন।

২০১৯ সালে বিজেপি কুনার হেমব্রমকে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করেছিল। যে সময় তিনি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়যুক্ত হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জমা দিয়েছিলেন হলফনামা। যে হলফনামা থেকেই তার সম্পত্তির হিসেব পাওয়া যায়।

কুনার হেমব্রম পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার। ২০১৯ সালে তিনি যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন সেই হলফনামা অনুযায়ী সেই সময় তিনি ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের রোজগার দেখিয়েছিলেন, রোজগার ছিল ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫৮০ টাকা। তার স্ত্রীর রোজগার ব্যবসা থেকে এবং ওই একই অর্থবর্ষে তিনি রোজগার করেছিলেন ২ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩০০ টাকা। ২০১৯ সালের হলফনামা অনুযায়ী কুনার হেমব্রমের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৫ লক্ষ ১ হাজার ৬১ টাকা। তার স্ত্রীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৩৭ টাকা।

আরও পড়ুন 👉 Sujan Chakraborty Assets: স্ত্রীর সামনে নেহাৎ বাচ্চা! সম্পত্তিতে ‘গরিব’ সুজন, বড়লোক মিলি, দেখে নিন হিসেব-নিকেশ

২০১৯ সালের হিসেব অনুযায়ী কুনার হেমব্রমের অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে ছিল একটি চারচাকা গাড়ি এবং দুটি দুই চাকা বাহন। এছাড়াও ব্যাংকে ছিল হাজার দুয়েক টাকা ও হাতে হাজার সাতেক টাকা নগদ। তার স্ত্রীর ছিল দুটি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট, যেগুলির একটিতে ছিল ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা এবং একটিতে ১৪০০ টাকার কিছু বেশি। তার স্ত্রীর নামে সেই সময় ছিল ৯০ হাজার টাকার সোনার অলংকার।

তবে কুনার হেমব্রমের স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে বিপুল পরিমাণে। অন্ততপক্ষে ২০১৯ সালের হলফনামা থেকে তা স্পষ্ট। তার নিজের নামে বাড়ি থাকার পাশাপাশি অচাষযোগ্য বিপুল পরিমাণে জমির উল্লেখ পাওয়া যায় হলফনামায়। একইভাবে তার স্ত্রীর নামেও জমি জমা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। আর সমস্ত কিছু মিলিয়ে ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ৪৯৮ টাকা এবং তার লোন ছিল ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। তবে পাঁচ বছর পর এই সম্পত্তি বাড়ল না কমলো তা জানা যায়নি, কেননা তিনি এই বছর কোন দলেরই প্রার্থী না হওয়াই নির্বাচন কমিশনে কোন তথ্য পেশ করেননি।