Samudra Sathi: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! এবার নতুন প্রকল্প আনল রাজ্য, মিলবে ১০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদন : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের (West Bengal Government) তরফ থেকে রাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প চালু করা হয়ে থাকে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত যে সকল প্রকল্প (Government Scheme) চালু করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প হলো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar)। এছাড়াও আরও বেশ কিছু প্রকল্প রয়েছে যেগুলির জনপ্রিয়তা নিয়ে কোন প্রশ্ন হবে না।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তরফ থেকে যে সকল প্রকল্প চালু করা হয়েছে সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে সেই সব প্রকল্প যেগুলির মাধ্যমে নগদ টাকা দেওয়া হয়। এই তালিকায় লক্ষ্মীর ভান্ডার ছাড়াও রয়েছে কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, রুপশ্রী, বার্ধক্য ভাতা, কৃষক বন্ধু ইত্যাদি। তবে এই সমস্ত প্রকল্পকে পিছনে ফেলে এবার নতুন একটি প্রকল্প চালু করল রাজ্য। যে প্রকল্পের মাধ্যমে মিলবে ১০ হাজার টাকা।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নতুন এই প্রকল্পের ঘোষণা হয় বৃহস্পতিবার। বৃহস্পতিবার রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি বাজেট পেশ করার সময় নতুন যে প্রকল্পটির কথা ঘোষণা করেন তার নাম হলো সমুদ্র সাথী (Samudra Sathi)। এই প্রকল্পের আওতায় দু’কিস্তিতে ৫০০০ টাকা করে ১০০০০ টাকা দেওয়া হবে। প্রকল্পের জন্য মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন 👉 Free smartphone for WB Students: দ্বাদশ নয়, এবার মাধ্যমিক পাশ করলেই স্মার্টফোন দেবে রাজ্য, তবে মানতে হবে এই শর্ত

তবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে চালু করা এই প্রকল্পের সুবিধার রাজ্যের প্রত্যেক এলাকার নাগরিকরা পাবেন না। এই সুবিধা পাবেন কেবলমাত্র পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্যজীবীরা। এই তিন জেলার মৎস্যজীবীদের বড় অংশ সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরে থাকেন এবং এটি তাদের বড় পেশা। যে কারণেই পেশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নাম দেওয়া হয়েছে সমুদ্র সাথী। তবে এই তিন জেলার সমস্ত মৎস্যজীবীরাই এই প্রকল্পের সুযোগ পাবেন বলে জানা যাচ্ছে সূত্র মারফৎ।

বাজেটে নতুন এই প্রকল্প নিয়ে যে ঘোষণা করা হয়েছে সেই ঘোষণা অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি সময় দুটি কিস্তিতে ৫০০০ টাকা করে এই প্রকল্পের আওতায় থাকা উপভোক্তাদের দেওয়া হবে। তবে এই প্রকল্প সবেমাত্র ঘোষণা হয়েছে। এই প্রকল্পে কিভাবে আবেদন জানাতে হবে ইত্যাদি এখনো পর্যন্ত বিস্তারিতভাবে কিছু জানা যায়নি। এক্ষেত্রে যারা চাইছেন এই প্রকল্পের আওতায় নাম লিখাতে তাদের স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিতে হবে।