গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বীরভূমের দুবরাজপুর বিধানসভার অন্তর্গত খয়রাশোলে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ভোট প্রচারে এসে জনসভা করে যান। তার ভোট প্রচারে জনসভার পর যেন নতুন করে অক্সিজেন পেলেন দুবরাজপুর বিধানসভার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। তার সভার পর হেতমপুরে বিরাট এক মিছিল হয় তৃণমূল প্রার্থী নরেশ চন্দ্র বাউরির সমর্থনে। আর এবার দুবরাজপুর বিধানসভা এলাকায় বিজেপিতে ভাঙ্গন ধরালো তৃণমূল।
রবিবার দুবরাজপুর বিধানসভার অন্তর্গত লোবা গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝিরুল গ্রামে প্রায় ৭০ টি পরিবারকে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ করাতে সমর্থ হল বলেই দাবি করছে তৃণমূল। ভোটের আগে এমন দল ভারি ভোট ব্যাঙ্কে অনেকটাই অক্সিজেন যোগাবে বলেই মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব। কেননা জেলার ১১ টি বিধানসভার মধ্যে দশটি তৃণমূলের দখলে থাকলেও একমাত্র দুবরাজপুর বিধানসভা রয়েছে বিজেপির দখলে।
লোবা এলাকার ৭০ টি পরিবারকে বিজেপি থেকে তৃণমূলের টেনে নোভা অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি তথা দুবরাজপুর ব্লকের তৃণমূলের ব্লক কমিটির সদস্য পিনাকী চক্রবর্তী জানিয়েছেন, খেটে খাওয়া মানুষগুলি ভুল বুঝে বিজেপি করছিল। তারা এখন তৃণমূলে এসেছে। তাদের স্বাগত জানালাম আমরা।
