Student Credit Card এ ঋণ নিতে গিয়ে বহু পড়ুয়া ব্যাংকের অদ্ভুত চাপের মুখে পড়ছেন। রাজ্যের এই ছাত্র ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের বদলে কেন্দ্রের PM Vidyalakshmi উচ্চশিক্ষা ঋণের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। পশ্চিমবঙ্গের লক্ষাধিক ছাত্রছাত্রী ইতিমধ্যে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা নিয়েছেন। কিন্তু নতুন আবেদনকারীদের এই সমস্যা বাড়ছে।
Student Credit Card নিয়ে অভিযোগ!
কলকাতা ও অন্যান্য জেলার পড়ুয়ারা জানাচ্ছেন, উচ্চশিক্ষা দপ্তর থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর ব্যাংকে গেলে কর্মকর্তারা বলছেন, “পিএম বিদ্যালক্ষ্মী নিন, দ্রুত মিলবে।” এতে রাজ্যের ছাত্র ক্রেডিট কার্ড ঋণের প্রক্রিয়া আটকে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত, রাজ্যের এই প্রকল্পে ১ লক্ষ ৫ হাজারের বেশি উপভোক্তা হয়েছেন। মোট ৪০০০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদিত। কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির এই আচরণে প্রশ্ন উঠছে। স্টেট লেভেল ব্যাংকার্স কমিটি বলছে, নতুন কর্মকর্তাদের ভুল হতে পারে। তবে নির্দেশিকা অনুসারে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ঋণ প্রকল্পকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।
দুটি প্রকল্পের পার্থক্য?
পশ্চিমবঙ্গের স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ মিলবে ৪% সরল সুদে। কোনো জামানত লাগবে না, রাজ্য সরকার গ্যারান্টার। ৪০ বছর পর্যন্ত বয়সের পড়ুয়া আবেদন করতে পারেন। পরিশোধের সময় ১৫ বছর। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে চালু পিএম বিদ্যালক্ষ্মীতে শুধুমাত্র ৯০০টি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য। ১০ লক্ষ টাকা ঋণে ৩% সুদ ছাড় পরিবারের আয় ৮ লক্ষের নীচে হলে। ৪.৫ লক্ষ আয়ের ক্ষেত্রে পুরো সুদ ছাড়। কিন্তু এতে ডিজিটাল আবেদন বাধ্যতামূলক, এবং ৭.৫ লক্ষ পর্যন্ত ৭৫% ক্রেডিট গ্যারান্টি। বাংলার প্রকল্প সবার জন্য উন্মুক্ত, কেন্দ্রেরটা সীমিত।
এই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, পিএম বিদ্যালক্ষ্মী রাজ্যের ছাত্র ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের নকল। ভোটের আগে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রচার চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০২১-এর প্রতিশ্রুতি এখন লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার স্বপ্ন পূরণ করছে। ব্যাংকগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। পড়ুয়াদের পরামর্শ: অভিযোগ জানান উচ্চশিক্ষা দপ্তরে। এতে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ঋণ প্রকল্প রক্ষা পাবে।
