সিউড়ি তথা সিউড়ির সঙ্গে সংযুক্ত বোলপুর সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষেরা এখন তাকিয়ে রয়েছেন সিউড়ির হাটজান বাজার রেল ওভারব্রিজের দিকে। কেননা এই রেল ওভারব্রিজ বছরের পর বছর ধরে নানা বাধা অতিক্রম করে অবশেষে খাড়া হয়ে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। একাধিকবার ঠিকাদার সংস্থা পরিবর্তন থেকে শুরু করে নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়েছে এই রেল ওভারব্রিজ তৈরির সময়কালে। আর এসবের পরিপ্রেক্ষিতেই হাফ যুগের বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে কেবলমাত্র রেল ওভারব্রিজটি তৈরির জন্য।
তবে এই সমস্ত বাধা অতিক্রম করে যখন রেল ওভারব্রিজটি তৈরির কাজ একেবারে সম্পূর্ণ, তখনো কিন্তু এই রেল ওভারব্রিজের উদ্বোধন হচ্ছে না। সাধারণ মানুষদের জন্য রেল ওভারব্রিজ এখনো খুলে দেয়নি রেল কর্তৃপক্ষ। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষেরা একটি প্রশ্নের পিছনে দৌড়াচ্ছেন আর সেই প্রশ্নটি হল, কবে চালু হবে হাটজানবাজার রেল ওভারব্রিজ?
আরও পড়ুনঃ বরফ আর বরফ! বীরভূমের বুকে বরফের দেশ! সরস্বতী পুজোয় আলাদা দৃশ্য, দেখে আপ্লুত দর্শনার্থীরা
কবে চালু হবে হাটজান বাজার রেলওভারব্রিজ তা সম্পর্কে রেলের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি অথবা উদ্বোধনের দিন জানানো হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি আরো কোন কাজ বাকি রয়েছে? কাজ এখনো কিছু বাকি রয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।
বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সহ-সভাপতি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সিভিল ওয়ার্ক শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন ইলেকট্রিকের কিছু কাজ চলছে। আর তারপরেই এই রেল ওভারব্রিজ সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের এই উত্তরের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাভাবিকভাবেই মনে করা হচ্ছে হয়তো খুব তাড়াতাড়ি সিউড়ি তথা সিউড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা হাটজান বাজার রেল ওভারব্রিজ পেতে চলেছে। যদিও তারিখ কিন্তু এখনো অধরা।
অন্যদিকে এই রেল ওভারব্রিজ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়নের শেষ নেই। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল এবং বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে বার বার নানান অভিযোগ তুলছেন। যদিও এই সকল রাজনৈতিক টানাপোড়েনের বাইরে কিন্তু সাধারণ মানুষ চাইছে, আর যেটুকু কাজ বাকি আছে সেই কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করে ব্রিজটি সর্বসাধারণের জন্য চালু করে দেওয়া হোক।
