অনুব্রত মণ্ডলের দুবরাজপুরে সভা করার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তৃণমূলে ইস্তফার লাইন জনপ্রিয় মুখেদের

সোমবার প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন বীরভূমের দুবরাজপুরের যশপুরে তৃণমূলের একটি জনসভার আয়োজন করা হয়। যে জনসভায় প্রধান মুখ হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। যে সভায় অনুব্রত মণ্ডলের মাথায় একটি রুপোর মুকুট দেওয়া হয়। কিন্তু এই সভার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই হেতমপুর অঞ্চলে তৃণমূলে ইস্তফা দেওয়ার লাইন দেখা গেল। যা নিয়ে রীতিমত অবাক অনেকেই।

দুবরাজপুর বিধানসভার অন্তর্গত হেতমপুর অঞ্চলে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। কখনো নিজেদের মধ্যে ঝামেলা তো আবার কখনো অন্য কিছুর মত ঘটনার সাক্ষী থাকতে দেখা যাচ্ছিল এলাকার বাসিন্দাদের। আর এসবের মধ্যেই অনুব্রত মণ্ডলের দুবরাজপুরে সভার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই জনপ্রিয় বেশ কিছু মুখ, তৃণমূল কর্মীরা ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুনঃ ‘আমাদের স্যারকে ফেরান!’ রনজয় স্যারের বদলি রুখতে পোস্টার হাতে বিক্ষোভে বীরভূম জেলা স্কুলের খুদে পড়ুয়ারা

যারা তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন মহম্মদ জসিম উদ্দিন, যিনি তৃণমূলের হেতমপুর অঞ্চলের পরিচালন কমিটির সদস্য এবং ব্লক তৃণমূলের সংখ্যালঘু সভাপতি। পাশাপাশি তিনি দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ। এছাড়াও রয়েছেন তৃণমূলের হেতমপুর অঞ্চল কার্যকরী সভাপতি অভিনিবেশ রায়। এছাড়াও তাদের সঙ্গে রয়েছেন হেতমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সেখ সবুর আলীও। ইনারা মূলত দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

মূলত হেতমপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের কমিটি ঘোষণা করার কোথায় রয়েছে মঙ্গলবার। সেই ঘোষণায় তাদের বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজনেদের পদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারা দলীয় পদ থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখার কথা জানালেন এবং পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির দাবি, দলটাই এখন ধীরে ধীরে শেষ হওয়ার দিকে।