বাজেট ঘোষণার সাথেই এল সুখবর, লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের আর্থিক স্বনির্ভরতার জন্য চালু করা একটি অন্যতম প্রকল্প। ২০২১ সালে চালু হওয়া এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যোজনা এখন প্রায় ২.৪ কোটি মহিলাকে সরাসরি সাহায্য করছে। সম্প্রতি রাজ্য বাজেটে ঘোষিত বৃদ্ধির পরপরই নবান্ন অতিরিক্ত ৫০০ টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু করেছে, যা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর। এতে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা মাসিক ১৫০০ টাকা এবং তফসিলি জাতি-উপজাতির মহিলারা ১৭০০ টাকা পাবেন।

বাড়ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা | Lakshmir Bhandar

রাজ্যের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে (৪.০৬ লক্ষ কোটি টাকা) ফাইন্যান্স মিনিস্টার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এই বৃদ্ধি ঘোষণা করেন। আগে সাধারণ মহিলাদের ১০০০ টাকা এবং তফসিলি মহিলাদের ১২০০ টাকা দেওয়া হত। এখন অতিরিক্ত ৫০০ টাকা যোগ হয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প আরও শক্তিশালী হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির যুগে এটি গৃহস্থালি খরচ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে। সরকারের তথ্য অনুসারে, এই যোজনায় বার্ষিক ২৬,৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, এবং অতিরিক্ত ১৫,০০০ কোটি টাকা এই বৃদ্ধির জন্য যোগ করা হয়েছে।

যোগ্যতা ও নতুন আবেদন

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যোজনার সুবিধা পেতে মহিলাদের পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, এবং স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নথিভুক্ত। পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরি বা পেনশন না পেলে যোগ্যতা মিলবে। আবেদন দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা অনলাইন পোর্টালে করা যায়। এই প্রকল্প মহিলাদের সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের পাশাপাশি বেকার যুবকদের জন্য ‘বাংলার যুব সাথী’ যোজনা চালু হয়েছে, যাতে মাসিক ১৫০০ টাকা সাহায্য মিলবে। আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাসিক ভাতা ১০০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের ডিয়ারনেস অ্যালাউয়েন্স ৪% বৃদ্ধি পেয়েছে।