‘ভালো লাগলো না, তাই চলে এলাম!’ বিজেপিতে যাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন, ফুল বদলকারীদের যুক্তিও নজর কাড়া

২৪ ঘন্টা আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিল দুশ পরিবার। বিজেপির দাবি এমনটাই। তবে ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই ওই সকল ফুলবদলকারীরা ফের বিজেপি থেকে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করলেন। আর এই প্রত্যাবর্তন করেই ফুলবদলকারী এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, ‘ভালো লাগলো না, তাই চলে এলাম!’

এখানেই প্রশ্ন উঠছে, মাত্র ২৪ ঘন্টাতেই কিভাবে তারা ভালো মন্দ বুঝলেন? প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি তাদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য কেউ ভয় দেখিয়েছিল, অথবা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের জন্য কেউ ভয় দেখালো! যদিও এইসব কোনোটিই না বলে তারা দাবি করেছেন।

২৪ ঘন্টার মধ্যে ফুলবদলের এমন ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের দুবরাজপুর বিধানসভার অন্তর্গত লোবা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। যেখানে শুক্রবার লোবা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২০০ পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন বলে দাবি করেন বিজেপি বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা। আর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই বিজেপিতে যোগদানকারীরা প্রত্যেকেই পুনরায় তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন তো করলেন, পাশাপাশি আরও কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে দল ভারী করলেন তৃণমূলে। শনিবার এমন প্রত্যাবর্তনের ঘটনায় প্রায় আড়াইশো পরিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিল। অর্থাৎ বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন ২০০ পরিবার, দলভারি করে প্রায় আড়াইশো পরিবার তৃণমূলে যোগ দিল। এমনটাই দাবি তৃণমূলের লোপা অঞ্চল সভাপতি পিনাকী চক্রবর্তীর।

আরও পড়ুনঃ টার্গেট ২.৫ লক্ষ কোটি, রেলের সম্পত্তি বিক্রির রূপরেখা বানাচ্ছে সরকার!

দুবরাজপুর ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের দুবরাজপুর ব্লকের যুগ্ম আহবায়ক রফিউল হোসেন খান ও তৃণমূলের লোহা অঞ্চল সভাপতি পিনাকি চক্রবর্তী।