দুবরাজপুরে গৃহবধূর সঙ্গে নৃশংস ঘটনায় নয়া মোড়, অভিযুক্তকে খুঁজে বের করল পুলিশ! সাজানো ঘটনা দাবি অভিযুক্তের পরিজনদের

গত বুধবার দুবরাজপুরের আট নম্বর ওয়ার্ডে চায়না মন্ডল গড়াই নামে যে গৃহবধূর সঙ্গে নৃশংস ঘটনা ঘটে এবং যে ঘটনায় ওই গৃহবধুর মৃত্যু হয়, সেই ঘটনাই এবার নয়া মোড়। চার দিনের মধ্যে পুলিশ এই ঘটনার কিনারা করলো বলেই দাবি করা হচ্ছে। মূলত যে অভিযুক্ত তাকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। তবে এখানেই নয়া মোড় নিতে শুরু করেছে।

জানা যাচ্ছে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত হলেন ওই গৃহবধূর বড় ছেলের বন্ধু মুকেশ সৌ। তবে ঘটনার পরপরই অভিযুক্তের দুর্ঘটনা ঘটে দুবরাজপুর হেতমপুর রাস্তায়। তারপর তাকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর আজ শনিবার দুবরাজপুর থানার পুলিশ দুবরাজপুর হেতমপুর রাস্তার মানসায়ের এলাকার একটি ঝোপ থেকে মৃত অর্থাৎ অভিযুক্ত যুবকের ব্যাগ উদ্ধার করে। যে ব্যাগ থেকে পাওয়া যায় কাটারি, স্ক্রু ড্রাইভার, রক্তাক্ত জামাপ্যান্ট, মৃত গৃহবধুর সোনার গয়না সহ আরও অনেক কিছু। আর এরপরই চাঞ্চল্যরাই দুবরাজপুরে।

আরও পড়ুনঃ বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের কনভয় আটকাল তৃণমূল কর্মীরাই! শোরগোল দুবরাজপুরে

তবে এখানেই শেষ নয়, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক প্রশ্ন উঠছে। তবে সেসব প্রশ্নকে দূরে সরিয়ে মৃত গৃহবধুর স্বামী গৌতম গড়াই দাবি করেছেন, টাকার জন্যই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে মুকেশ।

যদিও যে সকল অভিযোগ তোলা হচ্ছে সেই সকল অভিযোগ কে সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা এবং সাজানো ঘটনা বলেই জানিয়েছেন মৃত মুকেশের দাদার বন্ধু বুবাই সৌ। তিনি আরো জানিয়েছেন, পুলিশের উপর চাপ আছে আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে তারা এমনটা দেখিয়েছে।

একই কথা শোনা গিয়েছে মৃত মুকেশের প্রেমিকা শুভ্রা মন্ডলের মুখ থেকেও।

একইভাবে এই ঘটনাকে অবান্তর বলেই দাবি করেছেন মৃত মুকেশের দাদা রাকেশ সৌ। পাশাপাশি তিনি এটাও জানিয়েছেন, মৃত এক মানুষের উপর অভিযোগ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।