নাম নেই লিস্টে, হার্ট অ্যাট্যাকের জন্য SIR-কেই দায়ী করছে পরিবার

SIR তালিকায় নাম না থাকায় বৃদ্ধার হার্ট অ্যাটাক মৃত্যু ঘটেছে। নদীয়া জেলার কল্যাণী শহরে এক বয়স্ক নারীর জীবনহানি সারা রাজ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। পরিবারের সদস্যরা দোষী সাব্যস্ত করছে নির্বাচন কমিশনকে। এমন ঘটনা কি শুধু দুর্ঘটনা, নাকি SIR প্রক্রিয়ার অন্ধকার ছায়া?

SIR তালিকায় নাম না থাকায় দুশ্চিন্তা

গত বৃহস্পতিবার রাতে চর জাত্রা সিদ্ধি এলাকায় বাস করা ৬৮ বছরের এতোয়ারী মাহাতো হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর পরিবারের দাবি, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম না দেখে তাঁর মনে চাপ পড়ে। ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়। তাড়াতাড়ি কল্যাণী জে এন এন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এতোয়ারীর ভোটার আইডি এবং আধার কার্ড ছিল। ২০০৯ সালের নির্বাচনে তিনি ভোটও দিয়েছিলেন। তবু SIR তালিকায় নাম উধাও।

তাঁর বড় ছেলে কালচাঁদ মাহাতো বললেন, “শুধু আমার মায়ের নয়, আমার, আমার স্ত্রীর এবং ছেলের নামও বাদ পড়েছে। গ্রামে ৩০০-৪০০ ভোটারের একই অবস্থা। সবাই বৈধ ভোটার, আগের নির্বাচনে অংশ নিয়েছি।” মাহাতো পরিবার মূলত বিহারের। কাজের সূত্রে কল্যাণীতে বসতি স্থাপন করেছেন।

মৃত্যুর জন্য SIR কেই দুষছে পরিবার

পরিবার SIR তালিকায় নাম না থাকায় মৃত্যু ঘটানোর জন্য নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে দায়ী করছে। নদীয়া দক্ষিণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায় বললেন, “SIR-এর কারণে একের পর এক জীবন যাচ্ছে। আমরা সবার পাশে আছি। মুখ্যমন্ত্রী কলকাতায় ধর্মঘটে লড়ছেন।” বিপরীতে, বিজেপির মিডিয়া কনভেনর সোমনাথ কর বললেন, “এসব অভিযোগ মিথ্যা, মৃত্যুর সঙ্গে SIR-এর কোনো যোগ নেই। শাসক দল এটাকে রাজনৈতিক রং দিচ্ছে।”