‘খালি মোবাইল ঘাঁটা কাজ!’ একদম পছন্দ নয় অনুব্রতর, বন্ধ করার অনুরোধ

এখনকার সময়ে স্মার্টফোনে সকলেই আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে পড়েছেন। ছোট হোক অথবা বড় প্রত্যেক মানুষকে দেখা যায় এখন মোবাইল নিয়ে দীর্ঘক্ষণ ঘাঁটাঘাঁটি করছেন। চায়ের দোকান হোক অথবা ক্লাব, সব জায়গাতেই এখন মানুষ ব্যস্ত মোবাইলে। আর এসব একেবারেই পছন্দ নয় অনুব্রতর তার সরস্বতী পুজোর উদ্বোধনে এসে তার বক্তব্যেই বোঝা গেল। স্বাভাবিকভাবেই তিনি এসব ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুবরাজপুরের উজ্জ্বল সংঘের সরস্বতী পুজো উদ্বোধন করেন জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল। সঙ্গে ছিলেন জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ, জেলা পরিষদের সদস্য নারায়ণ হালদার, দুবরাজপুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের শীর্ষসেবক স্বামী সত্যশিবানন্দ মহারাজ, তৃণমূলের দুবরাজপুর শহর সভাপতি স্বরূপ আচার্য, দুবরাজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পীযূষ পান্ডে ভাইস চেয়ারম্যান মির্জা সৌকত আলী সহ ক্লাব সদস্যরা।

আরও পড়ুনঃ সিউড়িতে জাতীয় সড়কে টোটোতে ধাক্কা ডাম্পারের! মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর অভিযোগ

এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ক্লাব মানে একটা উৎসব। ক্লাব মানে একটা উন্নয়ন। ক্লাব মানে একটা সমাজসেবী। তাই ক্লাবের যারা আছেন মানুষের পাশে থাকবেন। মানুষকে সেবা দেবেন, ক্লাবের উন্নয়ন হবে। ক্লাবের নাম ডাক হবে। আমরা যদি মনে করি ক্লাব মানে আড্ডাখানা। ক্লাব মানেই তাস খেলা। তার কোন মানে নাই। আর একটা সবাইকে আমি বলব এখন কথায় কথায় দেখি, আলোচনা নাই, খেলাধুলা নাই, খালি মোবাইল ঘাটছে। আমি অনুরোধ করবো ওই মোবাইল ঘাঁটাটা বন্ধ করুন। প্রত্যেক জনাকে বলবো। দেখুন অনেক মা বোনেরা আছেন। যখন মায়েদের গর্ভে কোন সন্তান থাকে যখন মায়ের পেটে লাথ মারে তখন কিন্তু মা আনন্দে হাসে, তার ভালো লাগে। আর যখন বড় হয়ে সেই ছেলেটা মাকে লাথি মেরে বৃদ্ধাশ্রম পাঠিয়ে দেয় কত দুঃখের ব্যাপার, কত যন্ত্রনা, ভয়ংকর যন্ত্রণা, তাই মমতা ব্যানার্জির ক্ষেত্রেও তাই লালন-পালন করে মানুষ করেছিল তারপর লাথি মেরেছে ঈশ্বর-আল্লাহ তুমি বিচার করবে। তবে শেষের এই কথাটি কার উদ্দেশ্যে অনুব্রত মণ্ডল বললেন সেটি অবশ্য খোলাসা করেননি।