ডাক্তারদের সময় মূল্যবান! কোর্টের পর্যবেক্ষণে খুশি ডাক্তার মহল

Birbhum State Court: চিকিৎসকদের সময়ের মূল্য বোঝা দরকার আদালতের। বীরভূমের জেলা জজ এই কথা বলে দুই ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞের বিরুদ্ধে জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা খারিজ করেছেন। এতে উচ্ছ্বসিত পশ্চিমবঙ্গের ডাক্তার মহল। চিকিৎসকের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় এই রায় একটি মাইলফলক।

রামপুরহাটের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানিতে না আসায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর অনিরুদ্ধ দাস এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর জয়দীপ খানের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়। কিন্তু জেলা জজ আরতি শর্মা রায় বলেন, চিকিৎসকরা আদালতের বিশেষজ্ঞ সহযোগী। তাঁদের সময়ের গুরুত্ব উপেক্ষা করা যায় না।

কী ঘটনা ঘটেছে?

দুই ডাক্তার আগেই আদালতকে জানিয়েছিলেন, হাসপাতালের কাজের চাপে সশরীরে হাজিরা দেওয়া কঠিন। তাঁরা ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সাক্ষ্য দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট তা মানেননি। জেলা জজ এই নির্দেশ খারিজ করে বলেন, চিকিৎসকদের সময় মূল্যবান। ভবিষ্যতে বিশেষজ্ঞ সাক্ষীদের জন্য ভিডিয়ো কনফারেন্স বাধ্যতামূলক করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ ন্যূনতম পেনশন ১০০০ থেকে ৫০০০ টাকা! বড় ঘোষণা করতে পারে EPFO 

ভারতে এমন ঘটনা নতুন নয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুসারে, চিকিৎসা অবহেলার মামলায় ডাক্তারদের অযথা গ্রেপ্তার করা যায় না। কোভিড-পরবর্তী সময়ে ভার্চুয়াল শুনানি বাড়ছে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা দৈনিক শতাধিক মামলা সামলান। এই রায় তাঁদের হয়রানি কমাবে।

চিকিৎসক মহলের প্রতিক্রিয়া

ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর্স ফোরাম বলছে, এই নির্দেশ চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা সুরক্ষিত করবে। ডাক্তাররা আদালতের বন্ধু, অপরাধী নন। চিকিৎসকের সময়ের মূল্য স্বীকার করে ন্যায়বিচার দ্রুততর হবে। কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকরা মনে করেন, এতে তাঁদের কাজের পরিবেশ উন্নত হবে।