তিরন্দাজি পদক জয়ের সুসংবাদে উচ্ছ্বসিত গোটা বীরভূম। রাজ্য তিরন্দাজি সংস্থার আয়োজনে কালিম্পংয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বীরভূমের খেলোয়াড়রা অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। এই সাফল্য তিরন্দাজিতে বীরভূমের উত্থানের প্রমাণ।
সময়ের সাথে পশ্চিমবঙ্গে তিরন্দাজি ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় যুবক-যুবতীরা এই খেলায় আগ্রহী। বীরভূম জেলায় তিরন্দাজি সংস্থা সক্রিয়ভাবে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ফলে জাতীয় স্তরেও সাফল্য আসছে। এবারের রাজ্য প্রতিযোগিতায় এই উন্নয়নের ছাপ স্পষ্ট।
রাজ্য স্তরের তিরন্দাজিতে একধিক পদক এল বীরভূমে
গত ২৭ জানুয়ারি থেকে পাঁচ দিনের এই প্রতিযোগিতা কালিম্পং মেলা মাঠে হয়। কালিম্পং জেলা তিরন্দাজি সংস্থা এটি পরিচালনা করে। ৪০০-এর বেশি খেলোয়াড় অংশ নেন। বীরভূম থেকে তিন বিভাগে ১২ জন যোগ দেন। তাঁরা পাঁচটি পদক জিতে নেন – তিনটি রুপো ও দুটি ব্রোঞ্জ।
তিরন্দাজির বিভিন্ন শাখায় এই সাফল্য। রিকার্ভ বিভাগে লক্ষ্যভেদের নির্ভুলতা দরকার। কম্পাউন্ডে যান্ত্রিক সাহায্য থাকে। ইন্ডিয়ান রাউন্ড ঐতিহ্যবাহী। এসব ক্ষেত্রে বীরভূমের খেলোয়াড়রা উজ্জ্বল।
বীরভূমের গৌরব
সাঁইথিয়ার সৌভিক মণ্ডল সিনিয়র পুরুষ রিকার্ভে রুপো জিতেছেন। বোলপুরের সৌমিলি চৌধুরী মিনি সাব-জুনিয়র রিকার্ভ বালিকা বিভাগে রুপো। প্রেরণা বটব্যাল সিনিয়র কম্পাউন্ড মহিলায় রুপো। দীপক সাঁতরা সিনিয়র কম্পাউন্ড পুরুষে ব্রোঞ্জ। দিয়া কর্মকার ইন্ডিয়ান রাউন্ড বালিকা মিনি সাব-জুনিয়রে ব্রোঞ্জ। এছাড়া লাভপুরের নাজমুল হক ঝাড়গ্রাম বেঙ্গল আর্চারি অ্যাকাডেমির হয়ে সিনিয়র রিকার্ভে ব্রোঞ্জ জিতেছেন। তিনি স্থানীয় স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র।
এই প্রসঙ্গে জেলা তিরন্দাজি সংস্থার সম্পাদক তাপস হাজরা বলেন, সরকারি সাহায্য ছাড়াই এই সাফল্য। খেলোয়াড়রা আগেও জাতীয় প্রতিযোগিতায় ভালো করেছেন। এই পদক জয় তিরন্দাজিতে বীরভূমের ভবিষ্যত উজ্জ্বল করে তুলেছে।
