কলেজে বসে কেউ তৈরি করছেন মোমো, আবার কেউ তৈরি করছে রেশমি কাবাব! শুধু এখানেই শেষ নয়, এর পাশাপাশি আবার কাউকে চা, কফি, ফুচকা, চাট, চিকেন স্টিক, পনির সেটে, পকোড়া, রসমালাই তৈরি করে বিক্রি করতেও দেখা গেল। শুধু পড়ুয়ারা নয়, পাশাপাশি এমন সব জিভে জল আনা খাবার তৈরি এবং স্টল করে সেগুলি বিক্রিতে হাত লাগাতে দেখা গেল অধ্যাপক-অধ্যাপিকাদেরও।
এমন এলাহী আয়োজন করা হয় হেতমপুর কৃষ্ণচন্দ্র কলেজে। ১৪টি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী ও অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা স্টল বসিয়ে এমন এলাহি আয়োজন করেন বুধবার। এই কর্মকাণ্ডে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক যেন মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। কলেজের এমন উদ্যোগকে অনেকেই অভিনব উদ্যোগ বলে আখ্যা দিচ্ছেন। অভিনব এমন আখ্যা দেওয়ার পিছনে যে কারণ রয়েছে তা হল, কলেজ কম্পাউন্ডে শুধু খাদ্য মেলা নয়, পাশাপাশি রয়েছে বই মেলাও। এখন অধিকাংশ পড়ুয়ারায় আর বইমেলায় যেতে চায় না। যে কারণে কলেজ কর্তৃপক্ষ খাদ্য ও বই মেলাকে একসঙ্গে মিশিয়ে একে একে দুই করার চেষ্টা করেছেন। যে কারণেই এমন বন্দোবস্তকে অভিনব বন্দোবস্ত বলা হচ্ছে। এমন অভিনব বন্দোবস্ত করা হয় বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের হেতমপুর কৃষ্ণচন্দ্র কলেজে, যা নজিরবিহীন। বুধবার সকাল ১১ টা থেকে বৈকাল ৩ টে পর্যন্ত বার্ষিক খাদ্য ও বই মেলার আয়োজন করা হয়। খাদ্য ও বই মেলাকে এইভাবে এক ছাদেরতলায় আনার এমন উদ্যোগ তৃতীয় বর্ষে পা দিল বলেই জানিয়েছেন হেতমপুর কৃষ্ণচন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ গৌতম চ্যাটার্জি। আর এমন এক অভিনব উদ্যোগে খুশি কলেজ পড়ুয়া থেকে অধ্যাপক-অধ্যাপিকা প্রত্যেকেই।
আরও পড়ুনঃ প্লাস্টিক অতীত! গঙ্গাসাগরে পরিবেশ বাঁচাবে আদিবাসীদের তৈরী শালপাতার থালা
অধ্যক্ষ ডঃ গৌতম চ্যাটার্জি জানান, ছাত্র-ছাত্রীরা আত্মনির্ভর স্বনির্ভর হবে।
