দিন দুয়েক আগে মালদায় বন্দে ভারত স্লিপার সহ একগুচ্ছ ট্রেনের উদ্বোধনের পাশাপাশি জনসভা করে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জনসভায় উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখার সময় তার মুখ থেকে শোনা যায় হ্যান্টা কালীর নাম। হ্যান্টা কালী ছাড়াও তার মুখ থেকে সেদিন সোনা গিয়েছিল মনস্কামনা কালীর নাম। তবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে রীতিমত ট্রোল শুরু হয় হ্যান্টা কালী নামটিকে নিয়ে। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে অনেকেই রয়েছেন যারা ট্রোল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভুল উচ্চারণ করেছেন এমনটাই বোঝাতে চাইছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন, বাংলার সংস্কৃতিকে যারা জানেন না তারা আবার কি করে বাংলা রক্ষা করবেন?
আর এই সকল বিতর্কের মধ্যেই যে প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সেটি হলো সত্যিই কি কোথাও হ্যান্টা কালী রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তরে বলতেই হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোন ভুল উচ্চারণ করেননি অথবা ভুল বলেননি। তিনি সেদিন মালদহের দুটি প্রাচীন মন্দিরের নাম নিয়েছিলেন। যে দুটি মন্দির হল মনস্কামনা মন্দির এবং হ্যান্টা কালী মন্দির।
হ্যান্টা কালী মন্দির রয়েছে মালদার ইংরেজবাজার পুরসভার অন্তর্গত 4 নম্বর ওয়ার্ডে। এই মন্দিরটি ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ বছর প্রাচীন। মন্দিরটি ১৯৪৭ সালে নতুন করে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং তারপর থেকে এই মন্দিরের প্রচার আরো বেড়ে যায়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি দেশ-বিদেশেও এই মন্দিরের জনপ্রিয়তা রয়েছে। একইভাবে মালদায় রয়েছে মনস্কামনা মন্দিরও। এই দুই মন্দিরের পরিপ্রেক্ষিতে একটি জায়গার নাম হয়েছে হ্যান্টা কালী মোড় এবং আরেক রাস্তার নাম হয়েছে মনস্কামনা রোড।
