বাংলার মানুষের জন সরকার একাধিক জনদরদী প্রকল্প চালু করেছে যার মধ্যে অন্যতম হল লক্ষীর ভান্ডার (Lakshmir Bhandar)। আর এবার এই প্রকল্প নিয়ে এল বড় আপডেট। এখন থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বাধ্যতামূলক নয়। সেই সঙ্গে মাসিক ভাতাও বেড়েছে ৫০০ টাকা। এই পরিবর্তন রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মহিলাকে সরাসরি উপকৃত করবে।
বাড়ল লক্ষীর ভান্ডারের টাকা
সাধারণ শ্রেণির মহিলারা এখন পাবেন মাসে ১,৫০০ টাকা। তপশিলি জাতি-উপজাতির মহিলারা পাবেন ১,৭০০ টাকা। আগে যথাক্রমে ১,০০০ ও ১,২০০ টাকা ছিল। জানুয়ারির ভাতা ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্টে চলে গেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন হারে টাকা আসবে।
কারা পাবেন Lakshmir Bhandar?
- বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
- পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- সরকারি স্থায়ী চাকরি বা পেনশনভোগী হলে আবেদন অযোগ্য।
আবেদন প্রক্রিয়া অনেক সহজ
আগে দুয়ারে সরকার শিবির বা অনলাইনে আবেদন করতে হত। এখন সারা বছর ব্লক প্রশাসনিক অফিসে সরাসরি যান। সেখানে ফর্ম পাবেন এবং কর্মীরা সাহায্য করবেন। বিশেষ ক্যাম্পের অপেক্ষা করতে হবে না। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন।
প্রয়োজনীয় নথি
- আধার কার্ড
- ব্যাংক পাসবুকের ফটোকপি (নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, IFSC স্পষ্ট)
- রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- মোবাইল নম্বর
- SC/ST হলে জাতি শংসাপত্র
স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের ফটোকপি আর লাগবে না। এটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তি। আধারের সঙ্গে সব তথ্য মিলিয়ে ফর্ম পূরণ করলেই হবে। এই নতুন নিয়মে গ্রাম-শহরের অনেক মহিলা এখন সহজেই আবেদন করতে পারবেন। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ মহিলাদের আর্থিক সুরক্ষা আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাই আপনি যদি এখনও লক্ষীর ভান্ডার না পেয়ে থাকেন অথচ যোগ্য তাহলে দেরি না করে নিকটস্থ ব্লক অফিসে যোগাযোগ করুন।
