দুবরাজপুর বিধানসভার অন্তর্গত হেতমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এসআইআর সহায়তা ক্যাম্প পরিদর্শন করতে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেছিলেন, গ্রুপ বাজি করলে নিজেদের ক্ষতি। সবাই মিলেমিশে যেন কাজ করেন।
অনুব্রত মণ্ডল এমনটা বলে গিয়েছিলেন দিন দুয়েক আগেই বুধবার। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডলের সেই বার্তা যে কাজে এলো না তা স্পষ্ট হয়ে গেল শনিবার। কেননা ওই এলাকাতেই শনিবার যখন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা তৃণমূল নেতা কাজল শেখ পৌছন তখন সেখানে ডাক পাননি হেতমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শেখ সবুর আলী থেকে শুরু করে দুবরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্যকর্মাধক্ষ তথা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের ব্লক সভাপতি মহঃ জসিম উদ্দিন। স্বাভাবিকভাবেই তারা ডাক না পাওয়াই প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি অনুব্রতর কথা কেউ গ্রুপ বাজি বন্ধ হলো না হেতমপুরে?
এই প্রসঙ্গে কাজল শেখ অবশ্য দাবি করেছেন, তারা তাদের নিজেদের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তার কাছেও সময় ছিল না বলে তিনি তাদের ওই ক্যাম্পে পৌঁছতে পারেননি।
