শ্রী রামচন্দ্র শরৎকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেছিলেন সীতাকে রাবণের হাত থেকে উদ্ধারের জন্য। রাবণ বধের আগে দেবী দুর্গার আশীর্বাদ পেতেই শ্রী রামচন্দ্রের এমন আরাধনা ছিল। আর এরপর থেকেই শারদোৎসব পালন হয়ে থাকে দিকে দিকে। ঠিক সেই রকমই অগ্রহায়ণ মাসেও বীরভূমে এক অকাল দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়। দুর্গা মায়ের এমন পুজো সারদা কাত্যায়নী পুজো নামে পরিচিত।
বীরভূমের দুবরাজপুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমে বছরের পর বছর ধরে মা সারদাকে কখনো লক্ষ্মী, কখনো সরস্বতী, কখনো কালী, আবার কখনো দেবী দুর্গা হিসাবে পূজা করা হয়ে থাকে। আর অগ্রহায়ণ মাসে মা সারদাকে দেবী দুর্গা হিসাবে পুজোই কাত্যায়নী পুজো হিসাবে পরিচিত।
আরও পড়ুনঃ জোড়া কাউন্সিলারেও কোনও কাজ হয় না ওয়ার্ডে! খারাপ রাস্তায় বারবার পাল্টি খাচ্ছে গাড়ি, গুরুতর অভিযোগ
কাত্যায়নী হল দেবী দুর্গার ষষ্ঠ রূপ। দুবরাজপুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমে বৃহস্পতিবার থেকে সারদা কাত্যায়নীর পুজো শুরু হয়। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে এই তিথিতে পুজো শুরু হওয়ার পাশাপাশি দুর্গাপুজোর মতোই সপ্তমী, অষ্টমী নবমী ও দশমী চার দিন ধরে পুজো চলবে। আশ্রমের এই পুজো দেখতে দূর দূরান্ত থেকে বহু ভক্তরা আসেন।
দুবরাজপুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের শীর্ষ সেবক স্বামী সত্য শিবানন্দ মহারাজ জানিয়েছেন, ১৯৪২ সাল থেকে তাদের এই পুজো হয়ে আসছে। পুজোর সূচনা করেছিলেন তাদের সংঘ গুরু শ্রী ঠাকুর সত্যানন্দ দেব। এরপর থেকে এই পুজোই কোন অন্যথা হয় না।
