সিউড়ি বিধানসভায় ভোট প্রচার রীতিমত চমকপ্রদ জায়গায় পৌঁছেছে একের পর এক ঘটনায়। কখনো তৃণমূল কর্মীর মাকে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চ্যাটার্জি সামনে কান্নাকাটি করে বিজেপি সরকার চায় দাবি করতে দেখা যাচ্ছে, আবার কখনো কখনো একই রকম দাবি করতে দেখা যাচ্ছে খোদ তৃণমূল প্রার্থীর কাকা শশুরকে। এছাড়াও অন্যান্য ঘটনা তো রয়েছেই। তবে এসবের মধ্যেই এবার একেবারে আলাদা ঘটনার সামনে এল। আর এই ঘটনা রীতিমতো তৃণমূল বিজেপির মধ্যে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ঠেস দেওয়ার জায়গায় পৌঁছে যায়।
আসলে মঙ্গলবার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চ্যাটার্জি। তিনি প্রচার চালানোর সময় আচমকার দেখতে পান ওই এলাকার একটি দোকানে বসে রয়েছেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ মন্ডল। প্রসেনজিৎ মন্ডলকে দেখতে পেয়ে তার কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন জগন্নাথ চ্যাটার্জি। আর তখনই প্রসেনজিৎ মন্ডল বলেন, তার ওয়ার্ডে ৯০ জন ভোটারের নাম বাদ (SIR Name Deletion) গিয়েছে। সেই সকল নামগুলি যদি তুলে দেওয়া হয়।
এমনটা শুনেই জগন্নাথ চ্যাটার্জি সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করেন, সুপ্রিম কোর্টে খোঁচাখুঁচি কে করতে গিয়েছিল? উত্তরে প্রসেনজিৎ মন্ডল বলেন, দিদি। তখনই জগন্নাথ চ্যাটার্জি বলেন, তাহলে দিদির দায়িত্ব নাম তোলার।
যদিও পরে প্রসেনজিৎ মন্ডল বলেন, সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার জন্য কেবলমাত্র মুসলিমদের নাম বাদ গিয়েছে বলেই জানিয়েছেন জগন্নাথ চ্যাটার্জী।
অন্যদিকে জগন্নাথ চ্যাটার্জি জানান, উনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে সুপ্রিম কোর্টে উনারাও গিয়েছিলেন এবং তারই পরিণাম এটা।
