রামপুরহাট থেকে পাথর বোঝাই করে লরি আসছিল বাঁকুড়ার দিকে। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই লরির মনে হলো একটু ‘রিফ্রেশমেন্ট’ দরকার! আর তাই সোজা গিয়ে সেঁধিয়ে গেল দুবরাজপুর পৌরসভার পোদ্দারবাঁধ মোড়ের একটি মদের দোকানে।
যে সে ধাক্কা নয়, একেবারে সজোরে এন্ট্রি! মদের দোকানের শাটার তো ভাঙলই, সাথে বোনাস হিসেবে কুপোকাত হলো একটি ইলেকট্রিক খুঁটি আর টেলিফোনের পোল। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারে ‘নন-কন্ট্যাক্ট’ মুডে চলে গেল নিমেষেই।
কেন এমন কাণ্ড? সৌজন্যে রানীগঞ্জ-মোরগ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সেই বিখ্যাত ‘বেহাল দশা’। রাস্তার এমন অবস্থা যে লরি চালকের নিয়ন্ত্রণ আর স্টিয়ারিং— দুই-ই পথ হারালো। তবে কপাল ভালো, ঘটনাটি ছিল রাতের। দিনের বেলা হলে সুরাপ্রেমীদের ভিড়ে কী হতো, তা ভাবলেই হাড়হিম হয়ে যাচ্ছে!
খবর পেয়েই মাঠে নামে দুবরাজপুর থানার পুলিশ আর বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। হাজির হলেন খোদ পুরপ্রধান পীযূষ পান্ডেও। চালক আর খালাসি অল্পের ওপর দিয়ে বেঁচে গেছেন, তবে দোকানের যা হাল হয়েছে, তাতে মালমশলার বদলে এখন শুধুই পাথরের রাজত্ব।
