Employee Punishment : এই পৃথিবী বড়ই বিচিত্র। তার সাথে বিচিত্র এই গোটা পৃথিবীর মানুষজন। ছোট বয়সে পড়া না পারলে মা সন্তানকে শাসন করে থাকেন আবার প্রয়োজনে শাস্তি দিয়ে থাকেন। ঠিক তেমনিই ছাত্র ছাত্রী পড়া না করে আসলে স্কুল শিক্ষক শাস্তি দিয়ে থাকে বৈকি। তবে এমন ঘটনা শুনেছেন আগে অফিসের সিইওকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করেননি বলে কর্মী শাস্তি পেয়েছেন? কথাটা শুনে চমকে উঠলেও এটাই কিন্তু সত্যি।
উপস্থিত সকল কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মীদের সামনেই অনায়াসে সিইওকে তার নাম ধরে ডাকতেন সংস্থার এক কর্মী। আর এই অপরাধে তার কপালে জুটেছে শাস্তি। জানা গিয়েছে, শাস্তি স্বরূপ ‘আমি তোমাকে তোমার নাম ধরে ডাকব না’ এই কথাটি ১০০ বার ওই কর্মীকে লিখতে বাধ্য করেছেন সংস্থার সিইও। সোশাল মিডিয়ার একটি পোস্টে এটি বলা হয়েছে। সম্প্রতি রেডিট নামক সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই পোস্টটি। একজন রেডিট ব্যবহারকারী তার বন্ধুর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে এমন পোস্টটি করেছেন যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।
বন্ধু তার পোস্টে লিখেছেন, যে সংস্থায় তার বন্ধু কর্মরত সেই সংস্থারই এক অভিজ্ঞ কর্মীর সঙ্গে এই ঘটনাটি ঘটেছে। পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে, ওই কর্মী নাকি এক বছরেরও অধিক সময় ধরে ধরে তার অফিসের সিইওকে নাম ধরে সম্বোধন করছিলেন। আচমকাই সিইও প্রচণ্ড বিরক্ত হয়ে সেই কর্মচারীকে শাস্তি স্বরূপ এই লাইনগুলো হাতে লিখে দিনের শেষের মধ্যে জমা করতে বলেছিলেন। তবে এটুকুতেই থেমে থাকেননি সিইও। একইসাথে সিইও ওই কর্মীকে সংস্থার গ্রুপ চ্যাটে হাতে লেখা সেই লাইনগুলির ছবি তুলে তা শেয়ার করার নির্দেশ পর্যন্ত দেন। সম্প্রতি এই অভিযোগই সামনে এসেছে।
আর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরেছে সমাজ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের। এই ঘটনার পরই সংস্থার সিইও-র পদক্ষেপ নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। অধিকাংশ এই ঘটনাটিকে সেকেলে এবং অপমানজনক বলে দাগিয়েছে। একজন রেডিট ব্যবহারকারীর তরফে সংস্থাটির জানতে চাওয়া হয়েছে। অপর এক ব্যবহারকারীর কথায় ‘‘একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন যথেষ্ট ছিল না কি? কর্মীকে ডেকে নিজেদের মধ্যে বিষয়টি আলোচনা করে মেটানো যেত।” অপর একজন মজার ছলে লিখেছেন ‘‘ কর্মী আসলে বোকা। ওই কর্মীর উচিৎ ছিল সংস্থা ছেড়ে যাওয়ার ১০০টি সেরা কারণ লিখে লিঙ্কডইনে সংস্থার নামের সঙ্গে এই বিষয়টি যুক্ত করে দেওয়া।”