১০-১৫ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে চুরমার। হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও এমনই ভক্তের সমাগম দেখা গেল বীরভূমের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র বক্রেশ্বর ধামে। এদিন লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়েছে বলেই দাবি করলেন বক্রেশ্বর সেবায়েত কমিটির সদস্য রানা চক্রবর্তী।
আজ ছিল শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। শেষ সোমবারে প্রতিটি শিব তীর্থতেই কাতারে কাতারে শিবভক্তদের আগমন হবে তা নিয়ে আগে থেকেই আশা ছিল সকলের। তবে সেই আশাকে কয়েক গুন ছাপিয়ে যেতে দেখা গেল বক্রেশ্বর ধামে। দুর্যোগ মাথায় নিয়েও এদিন লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়।
যারা বক্রেশ্বরকে চেনেন তারাও হয়তো আজকের এই ছবি দেখে অবাক হয়ে যাবেন। বক্রেশ্বরের রাস্তায় আজ তিল ধরার জায়গাটুকু ছিল না। গোটা রাস্তা জুড়েই শুধু মানুষের মাথা আর মাথা।
এদিন এই বিপুলসংখ্যক ভক্তদের সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছিল বক্রেশ্বর ধামে। কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও সেই সকল ভক্তদের সামাল দিতে রীতিমতো বেগ পেতে হয় পুলিশ প্রশাসনকে। তবে পুলিশ প্রশাসনের দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ব্যবস্থাপনায় যেভাবে এদিন বক্রেশ্বর ধামে ভক্তরা সুষ্ঠুভাবে জল ঢাললেন, সেই ব্যবস্থাপনাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বক্রেশ্বর সেবায়েত কমিটির সদস্যরা।
শ্রাবণের শেষ সোমবার রাত দেড়টা থেকে বক্রেশ্বর ধামের মন্দির খুলে দেওয়া হয়। যারা এদিন এসেছিলেন তাদের চোখে মুখেও ধরা পড়ে আলাদা উৎসাহ হাসি উদ্দীপনা।
