নেতারা এসে বালির দাম ঠিক করে দিচ্ছেন, ঠিকাদাররা এসে বালির দাম ঠিক করছেন। বীরভূম যেখানে বালির আঁতুড় ঘর, যেখান থেকে বালি চলে যাচ্ছে দেশ-বিদেশে, সেই এলাকার মানুষেরাই এখন বালি পাচ্ছেন না। বালি কিনতে হচ্ছে হাজার হাজার টাকা দিয়ে। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে বালির অভাবে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষেরা সমস্যায়, ঠিক সেই রকমই নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা কাজ পাচ্ছেন না।
এর পাশাপাশি শুধু আবাস যোজনা প্রকল্পের আওতায় থাকা গ্রাহকরা কম দামে বালি পাবেন এটা চলবে না, সমস্ত সাধারণ মানুষদের ন্যূনতম দামে বালি দিতে হবে। এই দাবিতে আজ সোমবার ভারতীয় মজদুর সংঘের তরফ থেকে বীরভূম জেলা শাসক দপ্তরে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হল।
সংগঠনের তরফ থেকে বালি সংক্রান্ত দাবি-দাওয়ার পাশাপাশি আরো একাধিক দাবি-দাওয়া তারা তুলে ধরেন। যে সকল দাবি দাওয়ার মধ্যে রয়েছে শ্রমিকদের বেতন থেকে শুরু করে সিউড়ি পৌরসভার উন্নয়ন। এই বিষয়ে বীরভূম জেলার ভারতীয় মজদুর সংঘের সভাপতি অনন্ত পাল কি জানালেন শুনে নেওয়া যাক।
